কানপুরের স্বরূপ নগর এলাকার ব্যবসায়ী আনন্দ ক্ষেত্রীর বাড়ি থেকে প্রায় ৯৭ কোটি টাকার বাতিল নোট উদ্ধার হয়েছে। তার জন্য আনন্দকে ৪৮৩ কোটি টাকার জরিমানা দিতে হতে পারে। যে টাকায় যাত্রীবাহী দু’টো জাহাজ কেনা যেতে পারে।

আনন্দর বিরুদ্ধে পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ও নোটবাতিলের পরে তৈরি বিশেষ আইন স্পেসিফায়েড ব্যাঙ্ক নোটস (সেসেশন অফ লায়েবিলিটিজস) অ্যাক্ট, ২০১৭ -এ মামলা করেছে। 

সর্বভারতীয় এক সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, সেই আইনের যে শাস্তির কথা বলা রয়েছে, তাতে জরিমানার পরিমাণ বাজেয়াপ্ত টাকার পাঁচগুণ পর্যন্ত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সেই জরিমানা হতে পারে ৪৮৩.১ কোটি টাকা। 

সংসদে পাশ হওয়া এই আইনে বলা রয়েছে, বাতিল নোট বদলানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে গেলে যদি কেউ ১০টির বেশি (গবেষণার জন্য ২৫টি) পুরনো নোট রাখেন, তা হলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। জরিমানা হবে ১০ হাজার টাকা বা যে পরিমাণ টাকা বাজেয়াপ্ত হবে, তার পাঁচগুণ (যে অঙ্ক বেশি হবে)।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

কানপুর জোনের আইজি অলোক সিংহ জানিয়েছেন, পুলিশ পুরো ব্যাপারটাই এখন তদন্ত করে দেখছে। জরিমানার অঙ্ক পরে ঠিক হবে। তবে জরিমানার টাকা আদায় করার জন্য নানা পদ্ধতি রয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা তার মধ্যে একটি।

যদিও আনন্দ ক্ষেত্রী দাবি করেছেন, এই পুরো টাকাটি তাঁর নিজের নয়। অন্য অনেকে তাঁর কাছে টাকা গচ্ছিত রেখেছিল। পুলিশ এই দাবিরও তদন্ত করছে।

রিয়্যাল এস্টেটের ব্যবসা করেন আনন্দ। তাঁর বাড়ি তল্লাসি করে দ্বিতীয় দিনেও ৪০টি সম্পত্তির নথি ও তিন লাখ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে আয়কর অফিসারেরা।