যোগ ভারতের একান্ত ঐতিহ্য হলেও, তা আজ বিশ্বায়িত। পশ্চিমি দুনিয়ায় ‘ইয়োগা’ আজ দৈনন্দিন ব্যবহার্য শব্দ-তালিকায়। সুস্থ থাকার জন্য মানুষ যেমন এর দিকে ঝুঁকেছেন, তেমনই পেশা হিসেবে ‘ইয়োগা ট্রেনার’ আজ সেখানে অতি পরিচিত। ফলে ভারতীয় এই পরম্পরাকে নতুন করে চেনানোর কিছুই নেই ইউরোপ বা মার্কিন মুলুকে।

কিন্তু ভারতীয় ঘরানার যোগাসন চর্চাকে তাঁদের নিজেদের রংয়ে রাঙিয়েছে পশ্চিমি সভ্যতা। যোগের সঙ্গে মিশেছে অ্যারোবিক্স বা অন্য কিছু। সময়ের সঙ্গে তাল রেখে বদলেছে যোগের আঙ্গিকও। মার্কিন মুলুকে বা ইউরোপে এই মুহূর্তে ট্রেন্ড ‘নেকেড ইয়োগা’।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

 পোশাক না পরে যোগাসন অভ্যাসের এই ট্রেন্ড কি আদৌ কোনও অতিরিক্ত উপকার বহন করে? নাকি এটা নিছক একটা ফ্যাশন মাত্র? এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এর উত্তর খুঁজেছে এক প্রতিবেদনে। জানা যাচ্ছে, যোগ মানে অন্তরাত্মার সঙ্গে যদি বহিরাত্মা বা বিশ্বচৈতন্যের মিলন হয়ে থাকে, তবে তা মুক্তির দ্যোতক। পোশাক এখানে বাহুল্যমাত্র। পোশাকের বন্ধন থেকে বেরিয়ে নিজেকে বৃহতের অংশ হিসেবে দেখার চেষ্টাই যোগের উদ্দেশ্য। 

‘নেকেড ইয়োগা’ নিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্ট

ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি ‘নেকেড যোগা’ নিয়ে মুখ খুলেছেন অনেকেই। পোস্ট করেছেন তাঁদের পোশাকবিহীন যোগাভ্যাসের ছবি। তাঁরা জানিয়েছেন, এই অভ্যাসের মধ্যে কোথাও যৌনতার নামগন্ধ নেই। এ এক নতুন মুক্তির আস্বাদন। দিনযাপনের গ্লানি থেকে, প্রাত্যহিকের কলুষ থেকে মুক্ত করছে এই অভ্যাস। নিছক ফ্যাশন ট্রেন্ড এটি কিছুতেই নয়।