কেলভিন হ্যারিসের সঙ্গে টেলর সুইফ্টের বিচ্ছেদ নাকি একটা ফোনকলেই হয়ে গিয়েছিল! সপ্তাহ দুয়েক আগে কেলভিনের সঙ্গে ব্রেকআপ হয় টেলরের। তাই নিয়ে পাপারাৎজি কম গল্প ফাঁদেনি। কিন্তু ফোনেই কয়েক লহমায় বিচ্ছেদের গল্প শেষ করে দেওয়ার খবর সামনে আসায় হতবাক অনেকেই! তবে একটু পিছনে তাকালে বোঝা যাবে, ঘটনায় নতুনত্ব কিছু নেই। ২০০৮ সালে টেলরের সঙ্গে ঠিক এভাবেই ব্রেকআপ করেছিলেন জো জোনাস। সেই সময়ে টেলর বলেছিলেন, ‘‘এটা যে ঘটছে, সেটাই বুঝতে একটু সময় লেগেছিল। বয়স মোটে ১৮। কী করে লোকটাকে ভবিষ্যতে মনে রাখব জানি না! পরে কল লগ দেখে বুঝলাম, আমার সঙ্গে তার ব্রেকআপ করতে মোটে ২৭ সেকেন্ড সময় লেগেছিল!’’ টেলর নিজের সম্পর্ক আর শিল্পীসত্তাকে মিশিয়ে ফেলেন, সেটাও নতুন নয়। হয়তো ‘অনুপ্রেরণা’ পেতে এবার নিজে একই ছক এঁকেছেন। কেলভিনকে ফোন করে নাকি বেশ অস্বচ্ছ কারণ দেখিয়ে বিচ্ছেদটা করেছেন টেলর। তিনি অবশ্য এ ব্যাপারে নিরুত্তর!


জনিস্য পরিবেদনা
এদিকে গার্হস্থ্য হিংসার খাঁড়া ঝুলছে তাঁর উপর। অন্যদিকে জনি ডেপ দিব্যি বেলি ডান্সারদের সঙ্গে পার্টিতে মাতোয়ারা! রোমানিয়ার একটি প্রাইভেট পার্টিতে সম্প্রতি নিজের রক ব্যান্ডের সঙ্গে ফুর্তিতে মেতেছিলেন জনি। তার আগে অবশ্য ব্যান্ডের সঙ্গে একটা গিগ্-ও ছিল তাঁর। পার্টিতে ছিলেন একেবারে ‘রিল্যাক্সড’ মেজাজে! কে বলবে, অ্যাম্বার হার্ডের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ এবং মামলা নিয়ে প্রবল বিতর্ক দুনিয়া জুড়ে! পার্টিতে অন্য যাঁরা নিমন্ত্রিত ছিলেন, তাঁদের বয়ানে, ‘‘জনি চাপে থাকলেও, সেটা তাঁর হাবেভাবে অন্তত বোঝা যায়নি। দিব্যি তো বিয়ার খাচ্ছিলেন, আড্ডা দিচ্ছিলেন!’’ তবে এটাও শোনা গিয়েছে, জনি অ্যাম্বারের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন একবার। এই দাবি নিয়ে, যে তিনি একেবারেই নির্দোষ। তাঁর স্বভাবই হল, চট করে লোককে বিশ্বাস করা। আর সেই কারণেই নাকি ফেঁসে যান বার বার!