চলতি মাসেই নাটকীয়ভাবে পদত্যাগ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত ‘কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স’-এর অন্যতম সদস্য রামচন্দ্র গুহ। পদত্যাগ পত্রের সঙ্গে বিস্ফোরক চিঠিতে তিনি ভারতীয় ক্রিকেটের মহাতারকাদের ‘সেলেব কালচার’ নিয়েও সরব হয়েছিলেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন ধোনি, দ্রাবিড়, সৌরভ থেকে সুনীল মনোহর গাওস্করও।

সৌরভ, গাওস্কর ও দ্রাবিড়ের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ ছিল স্বার্থের সংঘাতের। রামচন্দ্র গুহের যুক্তি মেনেই এবার একাধিক পরিবর্তন আনছে ভারতীয় বোর্ড। স্বার্থের সংঘাত রুখতেই এবার নয়া পরিকল্পনা নিল সিওএ (কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্স)। মঙ্গলবার সিওএ-র পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল, জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের সঙ্গেই এবার দু-বছরের চুক্তি করা হবে।

এর অর্থ, জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা আর কেউ আইপিএল-এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। রাহুল দ্রাবিড় যেমন যুব দলের কোচ হওয়ার পাশাপাশি দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস দলের মেন্টরের ভূমিকা পালন করেন। তাঁকে দেখা যাবে না আইপিএল-এর আঙিনায়। যদি তিনি আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান, তাহলে তাঁকে যুব দলের কোচের পদ থেকে সরতে হবে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সিওএ’র অন্য এক সদস্য জানিয়ে দিচ্ছেন যে, লোধা কমিটির সুপারিশ মেনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘বিসিসিআই যদি নতুন কোন চুক্তি করতে চায় তাহলে সেটা লোধা কমিটির সুপারিশ মেনেই করতে হবে। কোন সংঘাত রাখা যাবে না। লোধা কমিটি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, ‘জাতীয় স্তরের যে কোন চুক্তি অন্ততপক্ষে ১২ মাসের জন্য করতে হবে। তাই পূর্বের নিয়ম মতো দশ মাস জাতীয় দলের সঙ্গে, দু’মাস আইপিএল-এর সঙ্গে— এমন নিয়ম আর চলবে না।’’

দ্রাবিড়ের মতোই একই অবস্থা জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরেরও। তিনি একাধারে জাতীয় দল ও আইপিএল-এ কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁকে দুটোর মধ্যে কোনও একটি বেছে নিতে হবে।