বক্রতুণ্ড মহাকায় গণপতি সিদ্ধির দেবতা। তাঁকে তুষ্ট না রাখতে পারলে সব কর্মেই বিঘ্ন এসে উপস্থিত হতে পারে— এমনটাই বিশ্বাস সনাতন হিন্দুধর্মে। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দেবতা গণপতি কীসে তুষ্ট হন? তাঁর মূর্তি অনসরণ করলে দেখা যায়, গণেশের প্রিয় আহার হল মোদক ও লাড্ডু। সনাতন ধর্মে গণেশের যে সাত্ত্বিক চরিত্র বিদ্যমান, এই ধরনের মিষ্টান্ন একেবারেই যথাযথ। 

গণেশকে সাদারণত ভক্তরা তিন ধরনের মিষ্টান্ন নিবেদন করে থাকেন। 

• মোদক— নারকেল ও গুড়ের পুর দিয়ে তৈরি মোদক গণেশের অতি প্রিয় খাদ্য বলে বিবেচিত। তাঁর অধিকাংশ ছবিতেই তাঁকে মোদক-সহ দেখা যায়। অনেকের মতে, মোদক যে কোনও শুভ কাজেই প্রসাদ হিসেবে নিবেদন করা যায়। কারণ, এটি সর্বদাই সিদ্ধিদাতা গণেশের অনুষঙ্গ বহন করে। 

• মোতিচুরের লাড্ডু— সারা ভারতেই এই লাড্ডুর কদর। জাফরান-মিশ্রিত মোতিচুরের লাড্ডু গণেশের প্রসাদ হিসেবেও বিদিত। গণেশ চতুর্থীর প্রসাদ হিসেবে এই লাড্ডুই দেবতাকে নিবেদন করা হয় দেশ জুড়ে। 

• মুড়ির মোয়া— গণপতিকে নিবেদন করতে গেলে যে সর্বদাই এমন দামি পদ প্রয়োজন, এ কথা ভাবা ভুল। শিবের পুত্র গণপতিও অল্পেই তুষ্ট। তাই মুড়ির মোয়াও দিব্যি চলতে পারে গণপতির প্রসাদ হিসেবে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এই সব মিষ্টান্ন ছাড়াও আও একটি খাদ্য গণেশের খুবই প্রিয় বলে বিবেচিত। সেটি হল কলা। মনে রাখতে হবে, গণেশ গজপতি। তাঁর মস্তকটি হাতির। কলা হাতিদের খুবই প্রিয় খাদ্য। এই কারণে গণেশও কলা খুবই পছন্দ করেন বলে জানায় সনাতন ধর্ম। সিদ্ধিদাতাকে কদলী নিবেদন করলে মেসে সিদ্ধি ও সাফল্য— এমনটাই বিশ্বাস আবহমানের।