রাজ্য সরকারের নাম ভাঁড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বনগাঁ এলাকায় ‘প্রাণঘাতী ভাইরাসে’ লোকজন আক্রান্ত হচ্ছেন বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। ওই ঘটনার জেরে সিআইডি এবং উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পুলিশ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের তিন অ্যাডমিনকে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করে এবং গ্রুপের এক সদস্যকে আটক করে। ধৃতেরা এক চিকিৎসকের নাম ভাঁড়িয়ে মেসেজে তাঁর ‘উদ্ধৃতি’ও ব্যবহার করেছে। ২০০’র বেশি লোকের কাছে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

সিআইডি জানিয়েছে, ‘বনগাঁ লোকাল’ নাম দিয়ে ওই গ্রুপ থেকে মেসেজে লেখা হয়েছিল, ‘বনগাঁয় মরফিন ভাইরাস পৌঁছে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত অনেক মানুষকে বনগাঁ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে’। তারপরই ডেভিড ডি’সুজা নামে এক চিকিৎসকের নাম করে বলা হয়, ইছামতীর মাছের মাধ্যমে নাকি ওই রোগ বনগাঁয়ে এসেছে! পুলিশ জানিয়েছে, ‘ওই রোগে লক্ষ লক্ষ মানুষ অতি শীঘ্র মারা যাবেন’ বলে গুজব রটানো হয়। এক কিলোগ্রামের বেশি মাছ খেলে ওই রোগ হয় বলেও গুজব ছড়ানো হয়েছিল ওই হোয়াট্সঅ্যাপ মেসেজে। সেই ভুয়ো মেসেজে দাবি করা হয়, দুর্গাপুরের এক চিকিৎসকও নাকি ওই রোগে আক্রান্ত। ওই মেসেজে ডেভিড ডি’সুজার নাম করে বলা হয়, তিনি নাকি বলেছেন ওই অসুখে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মৃত্যু হয়। গুজব রটানো হয়, পুকুরে অতিরিক্ত মুরগি সার থেকেই নাকি ওই অসুখ ছড়াচ্ছে। মেসেজের শেষে লেখা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বারা জনস্বার্থে প্রচারিত’। পুলিশ জানিয়েছে, বাঁকুড়া এবং চুঁচুড়াতেও ওই ভুয়ো মেসেজ ছড়ানো হয়েছে।