শাসক দলের আরও এক কাউন্সিলরের কীর্তি এবারে সামনে এল। অভিযোগ, কল্যাণী পুরসভার ওই কাউন্সিলর নিজের বাড়ি এবং সরকারি হাসপাতালের ঘর জবরদখল করে জাল ওষুধের কারবার চালাচ্ছিল।

অভিযুক্ত কাউন্সিলরের নাম অমর রায়। তিনি নদিয়ার কল্যাণী পুরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কল্যাণীর মহকুমাশাসক স্বপনকুমার কুন্ডু এবং এসডিপিও কৌস্তভাদিত্য আচার্যের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী অমরবাবুর বাড়িতে হানা দেয়। ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে কল্যাণীর জহরলাল নেহরু হাসপাতালের আবাসনের একটি ঘর দখল করে রাখার অভিযোগ ছিল। সেখানেও হানা দেয় পুলিশ।

বাড়ির ভিতরেই জাল ওষুধ তৈরির ব্যবস্থা।

দুই জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ জাল ওষুধ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া জাল ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। ওষুধ তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত কাউন্সিলর এবং তার ছেলেরা পলাতক।

উদ্ধার হওয়া জাল ওষুধ নিয়ে কল্যাণী মহকুমাশাসক এবং এসডিপিও।

দলের কাউন্সিলর, বিধায়কদের বেআইনি কারবারের থেকে দূরে থাকার জন্য বার বার সতর্ক করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু দলের কাউন্সিলররা কি সেকথা আদৌ শুনছেন? এই ঘটনায় ফের সেই প্রশ্ন উঠছে। যদিও এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই অমর রায়কে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নদিয়া জেলার সভাপতি গৌরীশংকর দত্ত।