চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বুধবারই কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে এক কিশোরীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো তাণ্ডব চালানো হয় কলকাতার এই বেসরকারি হাসপাতালে।

কিন্তু হাসপাতাল বা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ যে একেবারে ভিত্তিহীন হয় না, তার প্রমাণ পাওয়া গেল দিল্লিতে। তবে এবারে আর ভুল চিকিৎসা করে পার পেলেন না দুই অভিযুক্ত চিকিৎসক। দিল্লির ফর্টিস হাসপাতালের দুই চিকিৎসককে ছ’মাস প্র্যাক্টিস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি মেডিক্যাল কাউন্সিল। অর্থাৎ এই ছ’মাস কোনও রোগী দেখতে পারবেন না তাঁরা।

কিন্তু কী অভিযোগ উঠেছিল দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে? অভিযোগ, অশ্বিনী মাইচাঁদ এবং রাহুল কাকরন নামে ওই দুই চিকিৎসক ২৪ বছর বয়সি এক রোগীর ভুল পায়ে অস্ত্রোপচার করে দিয়েছিলেন। 

আরও পড়ুন

বাঁচতে চাই! লাইনে প্রায় ৩০০০

গত জুন মাসে ডান পায়ের গোড়ালিতে মাল্টিপল ফ্র্যাকচার নিয়ে দিল্লির শালিমারবাগের ফর্টিস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন রবি রাই নামে এক যুবক। কিন্তু অস্ত্রোপচার করে তাঁর বাঁ পায়ের ভিতরে একাধিক স্ক্রু বসিয়ে দেন অভিযুক্ত দুই চিকিৎসক। যদিও, মার্কার পেন দিয়ে রোগীর ডান পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হবে বলে আগে থেকেই চিহ্নিত করা ছিল। 

ভুল চিকিৎসার অভিযোগ সামনে আসার পরে দিল্লি মেডিক্যাল কাউন্সিল স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তিগ্রাহ্য কারণ তুলে ধরতেও ব্যর্থ হন দুই চিকিৎসক। এর পরেই তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করা হয়।