এরকম বনধ পশ্চিমবঙ্গে নতুন। ১২ ঘণ্টার বনধ হলেও, এবারই প্রথম ৬ ঘন্টার বাংলা বনধ ডাকল বামফ্রন্ট। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে হিংসার পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই বনধের ডাক।

এই বনধের মোকাবিলা করতেই রাজ্য সরকার মেমো জারি করে জানিয়ে দিল, আধ বেলা ছুটিও সেই দিন নিতে পারবেন না রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যে সব প্রতিষ্ঠান চলে সেগুলিও খোলা রাখতে হবে। ওই দিন ক্যাজুয়াল লিভও নেওয়া যাবে না।

যে সব কর্মচারী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটিতে আছেন, তারাও ছুটি বাড়াতে পারবেন না। ১৩ এপ্রিল তাঁকে অফিসে সময়ে আসতেই হবে।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

সেই দিন না উপস্থিত থাকলে বেতন তো কাটা যাবেই, চাকরির রেকর্ডেও ছেদ পড়বে। 

এই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে ছুটি শুক্বাবার ছুটি মঞ্জুর হবে। সেগুলি হল:

১। কর্মচারী হাসপাতালে ভর্তি হলে বা ভর্তি থাকলে
২। বাড়িতে কেউ মারা গেলে
৩। ১২ এপ্রিলের আগে থেকে গুরুতর অসুস্থ থাকলে এবং অসুস্থতার জন্য আগে থেকেই অনুপস্থিত থাকলে
৪। ১২ এপ্রিলের আগেই চাইল্ড কেয়ার লিভ, মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিক্যাল লিভ বা ইএল মঞ্জুর হয়ে থাকলে

যানবাহন চলাচল করছিল না বা বিঘ্ন ঘটেছিল— এই অজুহাতেও ছুটি নেওয়া যাবে না।

সেদিন অফিসে না এলে অনুপস্থিত কর্মীদের শোকজ করা হবে। উপরোক্ত কারণে যদি ছুটি নেন কেউ, তাহলে যথাযথ নথি দিয়ে শোকজের উত্তর দিতে হবে। যদি সেই উত্তরে কর্তৃপক্ষ খুশি না হন, তাহলে বেতন কাটার মতো শাস্তি হবে। 

শোকজের উত্তর না দিলে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই পুরো প্রক্রিয়া ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করে অর্থ দফতরে রিপোর্ট দিতে হবে বিভাগীয় প্রধানদের।