ভুয়ো খবর রুখতে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চেয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। তবে কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি ‘না’ বলে দেওয়া হল বার্তা প্রদানকারী সংস্থার পক্ষ থেকে। দেশে একের পর এক গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছিল। বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই উৎস ছিল গুজব। আর এই গুজব ছড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছিল হোয়াটসঅ্যাপ।

এই বিষয়ে অন্যান্য খবর

এর পরেই আসরে নেমেছিল তথ্য ও সম্প্রসার মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি হোয়াটসঅ্যাপের কাছে খবরের উৎস সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তবে ফেসবুকের মালিকানাধীন সংস্থাটির পক্ষ থেকে সংবাদসংস্থাকে জানানো হয়, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে এমন কোনও কিছুই করবে না। এতে ভুলভাবে ব্যবহারের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

ব্যবহারকারীদের পাঠানো বার্তার যাতে গোপনীয়তা বজায় থাকে, এই জন্য আগেই হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন’ সার্ভিস চালু করা হয়েছিল। এতে বার্তা প্রেরণের সময় তৃতীয় পক্ষের কাছে মেসেজ কোনওভাবেই লিক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

ভারতে প্রায় ২০০ মিলিয়ন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে যদি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্য তুলে দেয়, তাতে সংস্থাটির বিশ্বাসযোগ্যতাই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই কেন্দ্রের সাড়ায় ‘না’ বার্তা প্রেরণকারী সংস্থাটির।