‘‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে, ওগো বিদেশিনী’’ ...

কিশোরকুমারের লিপে সৌমিত্র গাইছেন না, এই গানটিই অনুরণিত হয়েছিল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মনেপ্রাণে। সে আজ সাত-আট বছর আগের কথা।


তখন তিনি ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন প্রোডাকশন নিয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়তে গিয়েছিলেন বিদেশে। ব্রিস্টল শহরে। শোনা যায়, তার আগে খুবই আন্তরিক সম্পর্ক ছিল টলিউডের এক নায়িকার সঙ্গে। কিন্তু সুদূর বিদেশ-পাড়ি দূরে টেনে নিয়ে চলে গেল দুটি মনকে। আস্তে আস্তে তাঁরা বুঝতে পারছিলেন, লং ডিস্ট্যান্ট রিলেশনশিপ মোটেই টিকছে না। ফল যা হওয়ার তা-ই হল, দু’জনের পথ দু’টি দিকে বেঁকে গেল।

ইকার সঙ্গে পরমব্রত। ছবি- ইউটিউব থেকে


মনমরা পরমব্রতর পাশে এসে দাঁড়ালেন এই সুন্দরী বিদেশিনি। দীর্ঘাঙ্গী, শ্বেতবর্ণা ডাচ এই তরুণী তখন ডাক্তারিশাস্ত্র পড়ছেন। পরমব্রতর কী রোগ হয়েছে ধরতে বেশি সময় লাগল না তাঁর। একসঙ্গে সময় কাটানো, কথোপকথন থেকেই শুরু মন দেওয়া-নেওয়ার পর্ব। পড়াশুনো শেষ করে গ্র্যাজুয়েট পরমব্রত ফিরে এলেন নিজ নিকেতনে।

বিদেশিনী ইকা ভালবাসেন কলকাতার রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে। ছবি: ইউটিউব থেকে

তবু রয়ে গেল বিনিসুতোর টান। মনে তখন লেখা একটিই নাম। ইকা। যে অন্য সবার চেয়ে আলাদা। অত্যন্ত বুদ্ধিমতী, পরিণতমনস্ক এক ডাক্তার তিনি। পরমব্রতর জীবনে প্রথম নারী যিনি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেক দূরের মানুষ। তাঁর ভালবাসার হস্তস্পর্শ থেকেই পরমব্রত আবিষ্কার করেন নিজের মধ্যেই অন্য সত্তাকে।

খুব কমই কলকাতায় আসতে পারেন ইকা। এলে ভালবাসেন কলকাতার রাস্তায় এমনিই ঘুরে বেড়াতে। এবার বিয়ের পর তাঁরা কী করবেন? জানতে হলে চোখ রাখুন এবেলা.ইন-এ।