৪৫ বছর ধরে তিনি পড়ে রয়েছেন প্রকৃত ‘অপ্রাকৃতের’ সন্ধানে। কারণ ৪৫ বছর আগে তিনি যে অপ্রাকৃতকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন, তা ছিল অভিনয়। আজ তাঁর বয়স ৮২। হরর সিনেমার ইতিহাসে উইলিয়াম ফ্রিডকিনের ১৯৭৩ সালের ছবি ‘দি এগজরসিস্ট’ এমন এক উদাহরণ সৃষ্টি করে, যাকে অতিক্রম করা সম্ভবত আজও সম্ভব হয়নি। 

১৯৭৩-এর সেই ছবিতে এক কিশোরীকে কোনও পৈশাচিক শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তার পরে তাকে সেই পিশাচের কবল থেকে বের করে আনতে শরণাপন্ন হতে হয় চার্চের। ডেভিল বা শয়তানের হাত থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে এগজরসিজম-এর আশ্রয় নিতে হয়। সিনেমায় এই ‘পিশাচ-বিতাড়ন’-এর দৃশ্যকে বিস্তারিত দেখিয়েছিলেন পরিচালক উইলিয়াম ফ্রিডকিন। কিন্তু কোথাও বোধ হয় অতৃপ্তি থেকে গিয়েছিল তাঁর। 


উইলিয়াম ফ্রিডকিন, ছবি: উইকিপিডিয়া

চার দশক পরে ফ্রিডকিন সন্ধান পান ফাদার আমোর্থ নামের এক ইতালীয় ধর্মযাজকের, যিনি প্রকৃত এগজরসিজম জানেন এবং প্রায়শই তা করে থাকেন। ব্যস। বয়স ভুলে ক্যামেরা হাতে লেগে পড়লেন ফ্রিডকিন। তুলে ফেললেন ফাদার আমোর্থকে নিয়ে এক তথ্যচিত্র, যেখানে প্রকৃত পিশাচ-বিতাড়নের দৃশ্য ধরা থাকল ভবিষ্যতের জন্য।    


ফাদার আমোর্থ। ছবি: ইউটিউব

এই ‘পিশাচ-বিতাড়ন’ দেখে নিউরোসার্জনরা পর্যন্ত স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রিডকিন নিজেও বিষয়টি দেখে তাজ্জব। 


‘দি এগজরসিস্ট’ (১৯৭৩) ছবির একটি দৃশ্য, ছবি: ইউটিউব থেকে

কিন্তু ব্রেন সার্জনদের একাংশ এই ‘পৈশাচিকতা’-র বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও ফ্রিডকিন নির্বিকার। ২০ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য ডেভিল অ্যান্ড ফাদার অ্যামোর্থ’ নামের এই তথ্যচিত্র। 

এখানে রইল ছবির ট্রেলার—