‘হাউ আই মিট ইউর ফাদার’ অর্থাৎ ‘কী করে তোমার বাবার সঙ্গে আমার মোলাকাত হয়েছিল’— এই গল্পই লিখেছেন মেলবোর্নের বাসিন্দা আমিনাহ হার্ট। আর এই গল্প তাঁরই জীবনের। যে গল্প সকলকে ছুঁয়ে যাবে। 

দূরারোগ্য জেনেটিক রোগে দুই ছেলের মৃত্যুর পর আইভিএফ পদ্ধতিতে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হার্ট। এর জন্য স্কট অ্যান্ডারসন নামে ৪৫-এর ব্যক্তির স্পার্ম নেওয়া হয়। ১ বছর পর হার্ট একটি মেয়ের জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় লেয়লা। আর এরপর থেকেই সেই স্পার্মদাতাকে খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হন তিনি। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেন শাশুড়ি হেলেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে স্কট অ্যান্ডারসনের একটি ছবি খুঁজে বের করেন। এবং স্কটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সমর্থ হন। মেলবোর্নে হার্ট ও তাঁর ছোট্ট মেয়ে লেয়লার সঙ্গে দেখা করেন অ্যান্ডারসন। 

আমিনাহ হার্টের কথায়, প্রথম দেখাতেই দু’জনে দু’জনের প্রেমে পড়েন। এর পর একদিন একটি এনগেজমেন্ট রিং এনে বিয়ের প্রস্তাব দেন স্কট। গত বছরের ডিসেম্বরে বিবাহিত জীবনে আবদ্ধ হন আমিনাহ ও স্কট। বিশাল পরিবার নিয়ে এখন দু’জনেই খুশি। স্কটের আগের বিবাহে রয়েছে দুই ছেলে এবং একটি মেয়ে। দুই ছেলেরর বয়স ৩০ ও ২২ এবং মেয়ের বয়স ১৮। 

আমিনাহ হার্টের এই প্রেম-বিবাহ নিয়ে সিনেমাও তৈরি হচ্ছে। আর এর চিত্রনাট্য তৈরি হচ্ছে আমিনাহর লেখা ‘হাউ আই মিট ইউর ফাদার’ বইটি থেকে।