হোলির ঠিক আগেই দুঃসংবাদ। লাতিন আমেরিকা থেকে এবার উপমহাদেশে হানা দিল মারণ জিকা ভাইরাস। বাংলাদেশে পৌঁছে গিয়েছে এই রোগ। ওপার বাংলার এই রোগ যে এই বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে না এমন কোনও গ্যারান্টি দেওয়া যায় কি? 

যেখানে প্রতিদিন গরু থেকে মাদক, সবই পাচার হয় বর্ডারের কাঁটাতার উপেক্ষা করে, বাংলাদেশে শোওয়ার ঘর আর ভারতে রান্নাঘর নিয়ে বাস করেন সীমান্ত গ্রামের বহু মানুষ, সেখানে বাংলাদেশ জিকায় আক্রান্ত হলে পশ্চিমবঙ্গে এই ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়া আশ্চর্যের কিছু নয় কারণ এই রোগ মশাবাহিত। 

রয়টার্স সংবাদ সংস্থার খবর, চট্টগ্রামের এক ব্যক্তির রক্তপরীক্ষায় এই ভাইরাস ধরা পড়েছে। শুধু তাই নয়, এই রক্তের নমুনাটি ২০১৪-২০১৫ সালে সংগ্রহ করা। অর্থাৎ বহুদিন ধরেই বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে এই মশাবাহিত রোগ। মোট ১০০০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় ওই পর্যায়ে তবে এখনও পর্যন্ত আর কারও নমুনায় এই ভাইরাসের খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

ব্রাজিল-সহ লাতিন আমেরিকার বহু দেশ জিকায় আক্রান্ত। এই ভাইরাস এতটাই মারাত্মক যে গর্ভবতী মায়ের শরীরে এই ভাইরাস থাকলে গর্ভস্থ সন্তান অসম্পূর্ণ মস্তিষ্ক গঠন নিয়ে জন্মায়। এই দুরারোগ্য ব্যাধিতে ইতিমধ্যেই আক্রান্ত ব্রাজিলের আটশোরও বেশি সংখ্যক শিশু।

১ ফেব্রুয়ারি, ওয়র্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বা ‘হু’ জিকার আক্রমণকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা বলে ঘোষণা করে। আগেই ধারণা করা হয়েছিল যে উষ্ণ ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। সেই আশঙ্কাই বাস্তব হল।  

আরও পড়ুন

যৌন সংসর্গেও ছড়াতে পারে জিকা

আবার মশার ভয়! জিকা-য় আক্রান্ত বিশ্ব!

মারণ জিকা থেকে নিরাপদ নয় ভারতও