SEND FEEDBACK

Cancel
English
Bengali
Cancel
English
Bengali

পুজোয় ড্রিম ফিগার পেতে শেষ তুলির টান, রইল কিছু বিশেষ ব্য়ায়াম

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮
Share it on
একটা সাজানো ফ্ল্যাটের ওয়াশরুমটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। ঠিক তেমনই একজন মানুষের সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে তার দেহের পিছনের দিকের শেপে।

আমার ব্লগের লেখাগুলো যাঁরা নিয়মিত ফলো করে ব্যায়ামগুলো এবং ডায়েট গাইডলাইন ফলো করে চলেছেন তাঁরা এই সংখ্যায় এবং পরবর্তী সংখ্যাগুলো উপভোগ করবেন এবং অবশ্যই কাজ লাগাবেন। 

 

 

যাঁরা রেগুলার আমার ব্লগ ফলো করতে সক্ষম হননি, তাঁরা হিম্মত হারবেন না। এর আগের ব্লগগুলি অনুসরণ করে ডায়েট গাইডলাইন ফলো করতে শুরু করুন— ফল অবশ্যম্ভাবী। 

 

 

 

শরীরের নিম্নাঙ্গ সঠিক শেপে রাখা অত্যন্ত জরুরি। পেট-হিপস এবং পা টোনড থাকলে কনফিডেন্স লেভেল তুঙ্গে থাকে, এটা বলাই বাহুল্য়। এই ভিডিও পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে দেখুন— 

১) হাফ স্কোয়াট— ১৫ বার করে ২ সেট অর্থাৎ ৩০ বার করতে হবে। উরুর সামনের দিকের পেশি টোনিংয়ের এক ধন্বন্তরী ব্য়ায়াম। জীবনে হাঁটু ব্য়থা হবে না। 

২) লেগ লানজ উইথ ফ্রন্ট কিক— এই ব্যায়াম ১০ বার করে ২ সেট অর্থাৎ ২০ বার করা প্রয়োজন। এই ব্যায়াম আপনাকে তিন রকম ভাবে উপকার দেবে— ক) যখন একটা পায়ে ভর দিয়ে বসছেন তখন সামনের উরুর পেশি এবং পায়ের ডিমের পেশির শেপিং হচ্ছে। গ) যখন আপনি সামনে পা তুলছেন তখন পায়ের পিছনের পেশিতে এবং হিপসে টান পড়ছে এবং দেহের ব্য়ালান্স ঠিক রেখে স্মার্টনেস এবং অ্য়াজিলিটি বাড়াতে সক্ষম হচ্ছে। 

৩) স্যুমো স্কোয়াট— ১৫ বার করে ২ সেট করবেন। দুটো পায়ের উপরের ফাঁকে অনেকটাই আনওয়ান্টেড ফ্যাট জমে পুরো পা থলথলে করে দেয়। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে পায়ের সৌন্দর্য পুরো নষ্ট হয়ে যায়। জিনস পরে খুব দৃষ্টিকটু লাগে। এক্ষেত্রে এই ব্য়ায়াম ম্যাজিকের মতো কাজ করে। 

৪) হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেচ— একটা সাজানো ফ্ল্যাটের ওয়াশরুমটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। ঠিক তেমনই একজন মানুষের সৌন্দর্যের অনেকটাই নির্ভর করে তার দেহের পিছনের দিকের শেপে। এই ব্যায়াম হিপসের নীচের দিক থেকে শুরু করে একেবারে পায়ের গোড়ালি অবধি টোনিং এবং শেপিং করে। এই ব্য়ায়াম ১০ বার করে ২ সেট করতে হবে অর্থাৎ ২০ বার। 

৫) টিপ টো হিল ওয়াক— এই ব্যায়াম ১৫ বার করে ৩ সেট করতে হবে। পায়ের ডিমের থলথলে ভাব দূর করতে এই ব্য়ায়াম অপরিহার্য। কাফ মাসলের সৌন্দর্যায়নের জন্য এই ব্য়ায়াম। হাঁটু অবধি সব আউটফিট অনায়াসে কনফিডেন্সের সঙ্গে পরতে পারবেন। 

 

 

মাউন্ট এভারেস্টে ওঠা মানে টপে ওঠা। চূড়ায় উঠতে গেলে কষ্ট তো করতে হবে বই কী! এই ব্যায়ামটা ফিটনেস, টোনিং এবং শেপিংয়ের শেষ ধাপ বলতে পারেন। অর্থাৎ আমি যেটা প্রায়ই বলে থাকি— ‘শেষ তুলির টান’। সিঙ্গল পা নিয়ে ভঙ্গিম পাঁচবার, ডবল পা নিয়ে ভঙ্গিমা ৫ বার। এর পরে ওইখান থেকে পুরো পা, কোমর এবং হিপসের জোরে ঊর্ধ্বাকাশে লাফাতে হবে। অর্থাৎ ৫+৫+১ এইভাবে। 

এই গোটা পদ্ধতিটা তিনবার করতে হবে। প্রথম মুভমেন্টে যখন সিঙ্গল পা সামনে আনছেন, তখন পেটের সাইডের চর্বি এবং হিপসের আনওয়ান্টেড ফ্যাট কমছে এবং টোনিং হচ্ছে। দ্বিতীয় মুভমেন্টে যখন দুটো পা শ্বাস ছেড়ে একসঙ্গে ফোল্ড করছেন তখন আপার এবং লোয়ার পেটের ফ্য়াট কমছে— সঙ্গে সঙ্গে হিপসের শেপিং হচ্ছে। 

তৃতীয় অর্থাৎ জাম্প মুভমেন্টে পায়ের শেপিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে পায়ের এবং অ্যাঙ্কেলের জোর বাড়ছে আর ক্য়ালোরি ঝরছে। এই পুরো ব্যায়ামটা একটা ম্যাজিকাল ফিটনেস এবং নিজের উপর অগাধ কনফিডেন্স এনে দেয়। মাত্র ১৫ মিনিটেই সবকিছু কমপ্লিট। আপনারা দয়া করে ‘পারব না’ বলবেন না। আমার ডিকশনারিতে ‘নো’ বলে কোনও শব্দ নেই— ‘ইউ ক্যান ডু ইট’। 

যখন যা জিজ্ঞাস্য, আমায় নির্দ্বিধায় হোয়াটসঅ্যাপ করুন ৯৮৩৬০৮৮৯৯৮ নম্বরে। কিংবা ফেসবুকে অনায়াসে মেসেজ করতে পারেন। আপনাদের পাশে আমি সব সময় আছি। নমস্কার! 

Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -