SEND FEEDBACK

Cancel
English
Bengali
Cancel
English
Bengali

নিউ ইয়র্কে আবার সন্ত্রাস! বাঙালিরা কতটা বিপদে

নভেম্বর ৩, ২০১৭
Share it on
এখানে যেসব বাংলাদেশি বা পাকিস্তানি মুসলমান থাকে, বা আরব দেশের মুসলিম, তাদের অনেকেই দাড়ি রাখে না, আর টুপিও পরে না। তাদের অবস্থাও আমাদেরই মতো।

আজকাল ট্রেনে বা বাসে চলাফেরার সময়ে চারদিকে একটু বিশেষ নজর রাখি। আগে সেই ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ ঘটনার পরে এইরকম হয়েছিল।

সেদিন ম্যানহ্যাটানের যে জায়গাটায় ওই উজবেকিস্তানের হবিবুল্লাভিচ নামের উজবুক ছেলেটা গাড়ি চাপা দিয়ে আটজন নিরীহ পথচারীকে মেরে ফেললো, আর তার পর ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে দৌড়োতে লাগলো, প্রায় সেই একই জায়গায় ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উপরে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। একেবারে পাশেই নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত সরকারি স্কুল স্টাইভেসেন্ট হাইস্কুল। আমার মেয়ে নন্দিনী সেখানে পড়তে শুরু করার চারদিনের মাথায় ৯/১১'এর মর্মান্তিক ঘটনা। নন্দিনী আর তার বন্ধুরা আটতলার কেমিস্ট্রি ল্যাবরেটরি থেকে দেখেছিলো, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার জ্বলছে, আর তার উপর থেকে লোকেরা লাফিয়ে পড়ছে, বাঁচার আর কোনো আশা নেই দেখে। বহুদিন পর্যন্ত ওদের মনে এই ক্যাটাস্ট্রফি এক দুঃস্বপ্নের মতো ফিরে ফিরে আসতো। ওদের বেশ কিছু বন্ধু আর বান্ধবীকে মানসিক চিকিৎসা করতে হয়েছে। এমনকী, স্টাইভেসেন্ট হাইস্কুল ছেড়ে দিয়েও কয়েকজন চলে গিয়েছে।

এখন আবার সেই স্কুলের কাছেই এই নতুন সন্ত্রাসী ঘটনা। সেই চেম্বার্স স্ট্রিট, সেই লোয়ার ম্যানহাটান, সেই ওয়েস্ট সাইড এভিনিউ। আরো যে কত কী দেখতে হবে এখানে বসে, কে জানে! তারপর, লাস ভেগাসের বন্দুকবাজি আর গণহত্যার মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত তো আছেই। আজ এখানে, কাল সেখানে। বাচ্চাদের প্রাইমারি স্কুলে ঢুকে গুলি চালিয়ে দুধের বাচ্চাদের শেষ করে দিয়ে চলে গেল এক উন্মাদ। সে ওই ইসলামি সন্ত্রাসী নয়। সাউথ ক্যারোলাইনার গির্জায় ঢুকে এক হিটলারপন্থী শ্বেতাঙ্গ যুবক গুলি চালিয়ে ন’জন প্রার্থনারত কৃষ্ণাঙ্গ মানুষকে খুন করে চলে গেল। সেও তো ইসলামী সন্ত্রাসী নয়। আমেরিকার কোণে কোণে এসব খুনখারাপি প্রতিদিন ঘটে চলেছে। আনন্দবাজার পত্রিকা-য় একটা লেখায় আমি বলেছিলাম, "ঘরে ঘরে বন্দুক, মনে মনে বিদ্বেষ।"

সেই বিদ্বেষ দেখেছিলাম ট্রেনে, বাসে, রাস্তাঘাটে। যখন শিখ ট্যাক্সি ড্রাইভার রাজিন্দর সিং খালসাকে তার নাতির বয়সি তিনজন শ্বেতাঙ্গ যুবক পিটিয়ে চোখের হাড় ভেঙে দিয়ে চলে গিয়েছিল। যখন কুইন্সের উডসাইডে গুরুদ্বারে হামলা হয়েছিল। যখন ব্রুকলিনের মিডউডে মসজিদগুলোর চারপাশে থাকা গরিব মুসলমানদের ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকতে হতো। রাজার প্রহরীরা রাতের অন্ধকারে মেশিন গান নিয়ে সাধারণ মানুষদের তুলে নিয়ে চলে যেত কোন অজানা জায়গার কারাগারে নিক্ষেপ করার জন্যে। এসব তো আমার নিজের চোখেই দেখা। বছরের পর বছর কাজ করেছি ওদের সঙ্গে। চেষ্টা করেছি একটা শক্তিশালী প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলতে। আমি একা নয়। আমার সঙ্গে আরো অনেকে ছিলেন। ভারতীয়, পাকিস্তানি, বাংলাদেশি, মার্কিন মানবাধিকার সহকর্মীর দল।

আমেরিকা সম্পর্কে বাইরে থেকে দেখে লোকে কিছুই জানতে পারে না। হলিউড সিনেমা আর মায়ামি বিচের লাস্যময়ী যুবতীদের ছবি দেখে, হাজার গাড়ির লাইন দেখে, ম্যাকডোনাল্ড-কে এফ সি-পিৎজা হাট দেখে, আর বড় বড় বিলাসবহুল মলের ছবি দেখে আমেরিকা দেশটা সম্পর্কে মানুষের কত অদ্ভুত, কিম্ভুত ধারণা আছে, তা আর কী বলবো! এদেশে আছি তিরিশ বছরেরও বেশি। আমেরিকার আলো দেখেছি যেমন, আবার অন্ধকারও দেখেছি। ভালোবাসা, সম্মান পেয়েছি একশ্রেণির আলোকিত আমেরিকান মানুষের কাছে, ছাত্রছাত্রীদের কাছে, যুদ্ধের সহসৈনিকদের কাছে। আর অন্যদিকে, বিদ্বেষ, ঘৃণা, অপমান, অসম্মানও পেয়েছি, ভয় পেয়েছি, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে দুশ্চিন্তায় ঘুম হয়নি রাতের পর রাত।

ছবি: পিক্সঅ্যাবে

মনে আছে, একবার কোথায় যেন গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলাম আমাদের ব্রুকলিনের একটা রাস্তা দিয়ে। হঠাৎ একটা বিরাট গাড়ি আমাদের পাশ দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে গেল, আর কতগুলো লোক জানলা খুলে অশ্লীলভাবে মাঝখানের আঙুল উঁচিয়ে "ইউ মাদারফা... টেররিস্ট" বলে চিৎকার করতে করতে চলে গেল। একবার মনে আছে, এই সেদিনের কথা, ট্রাম্প ভোটে জেতার দিন আমার বউ মুক্তি বাড়ির পাশেই কোথায় যেন হেঁটে যাচ্ছিল। একটা গাড়ি খুব কাছে এসে ঘেঁষে দাঁড়িয়ে পড়ল। এক শ্বেতাঙ্গ যুবক জানলার কাচ নামিয়ে ওকে জিজ্ঞেস করলো, "সো, আর ইউ স্যাড ট্রাম্প গট ইলেক্টেড?" বিদ্রুপাত্মক কথা। ভয় দেখানোর কথা। অপমানজনক, উদ্ধত ভঙ্গি। এসব তো আছেই। একবার ৯/১১'এর পরে আমি ওই স্টাইভেসেন্ট হাইস্কুলের কাছেই সাবওয়ে ট্রেনে চড়ছি। এক মহিলা আমাকে জিজ্ঞেস করলো, "ডু ইউ হ্যাভ এ গান?" অর্থাৎ, আমাকে দেখতে তো ওই হবিবুল্লাভিচের মতোই। যেমন, রাজিন্দর সিং খালসাকে ওই ইটালিয়ান ছেলেগুলো জিজ্ঞেস করেছিল, "ইজ বিন-ল্যাডেন ইওর আঙ্কল?" বলে হ্যা হ্যা করে অশ্লীলভাবে হেসেছিলো। আর তার পর, সর্দারজির পাগড়ি টেনে খুলে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে তার উপরে জুতো দিয়ে ঘষে দিয়েছিলো।

সেদেশে ওবামা— এক কালো মানুষ— আট বছর প্রেসিডেন্ট। কী দুঃসাহস এই নিচু জাতের লোকগুলোর! মুসলমান, কালো, ইমিগ্র্যান্ট— এরা সব একেবারে মাথায় চড়ে বসেছে! এদিকে উগ্র শ্বেত-আধিপত্যবাদ বা সুপ্রিমেসি, আর ওদিকে আমাদের দেশে উগ্র হিন্দুত্ববাদ— এরা একেবারে রেগে আগুন তেলে বেগুন।

মুসলমানদের মধ্যে আবার এই ভয়ংকর হিংস্র ইসলামিক স্টেট, তালিবান, আল কায়েদা, মুজাহিদিন— আরো সব অসংখ্য ধর্মান্ধ, উগ্রপন্থী গোষ্ঠী মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তাদের বীভৎস, প্রাগৈতিহাসিক বর্বরতার কথা শুনলে স্তম্ভিত হয়ে যেতে হয়। বাংলাদেশের জামাত। এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়। এই হবিবুল্লাভিচের মতো অনেক ছেলেমেয়ের মগজধোলাই করেছে জঙ্গি ইসলামীরা। তারা যে কোনও সময়ে, যে কোনও জায়গায়, যে কোনো উপায়ে ধ্বংস হত্যা করার জন্যে তৈরি। তাদের চোখে রক্ত, তাদের হাতে মারণাস্ত্র। যেখানে মারণাস্ত্র পাওয়ার উপায় নেই, যেমন এই নিউ ইয়র্ক শহরে, সেখানে আছে একটা ভ্যান চালিয়ে মানুষকে পিষে দিয়ে চলে যাবার মতো হিংসা। যে মানুষগুলোকে মেরে ফেলল, সেই আটজনের মধ্যে শুনলাম চার না পাঁচজনই এসেছিলো আর্জেন্টিনা থেকে নিউ ইয়র্কে বেড়াতে। আর্জেন্টিনা থেকে আমেরিকায় বেড়াতে আসার আগে ওরা এবার অনেক বার ভাববে। যেমন, ভারত থেকে আমেরিকায় আসার আগে আমাদের একটু ভাল করে ভাবা উচিত। অবশ্য, আমরা যারা এদেশেই থাকি, কাজকর্ম করি, আর আমাদের মতো মুষ্টিমেয় কিছু লোক যারা আবার রাজনীতি করি এদেশে, মানবাধিকার, শ্রমিক ইউনিয়ন, শান্তি, পরিবেশ আন্দোলন— এসব আজেবাজে কাজ করি কোটিপতি হবার সাধনায় ব্যস্ত না থেকে, কবীর সুমনের ভাষায়, "আমার কোথাও যাবার নেই, কিচ্ছু করার নেই।"

না, ভুল বললাম। কোথাও যাবার নেই হয়তো মাঝে মাঝে দেশে ফিরে গিয়ে কাজ করার খোয়াব দেখা ছাড়া, কিন্তু অনেক কিছু করার আছে। করেও যাচ্ছি। লিখে যাচ্ছি। শিখিয়ে যাচ্ছি। পড়িয়ে যাচ্ছি। মানুষকে বোঝাচ্ছি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে যেমন, তেমনই শুধু ইসলামী ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে নয়, হিন্দু, খ্রিস্টান, ইহুদি বা বৌদ্ধ ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধেও। বৌদ্ধ ধর্মান্ধতা আর ভয়ঙ্কর হিংসা যে হতে পারে আদৌ, সেটাই আগে জানতাম না। এখন, বর্মাতে গরিবের গরিব রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর যে নারকীয় অত্যাচার চলেছে, তাতে চোখ খুলে গেছে। বইতে পড়েছিলাম, জাপানি বৌদ্ধরা চিনাদের ওপর একসময়ে কী নারকীয় অত্যাচার করেছিল। কিন্তু চোখের সামনে কখনো দেখিনি। এখন দেখছি এই ২০১৭ সালের উত্তর-সন্ধান যুগে। বা, ইংরিজিতে যাকে আমি এখন বলছি, "দ্য এরা অফ পোস্ট রিজন’’।

হবিবুল্লাভিচের মতো গাড়ল ধর্মান্ধরা— অবশ্য ধর্মান্ধমাত্রেই গাড়ল, আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না— আমাদের মতো যাদের ‘মুসলমান-মুসলমান’ দেখতে, তাদের আরো বাঁশের ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। বাসে চড়ার সময়ে, ট্রেনে কাজে যাওয়া আসা করার সময়ে, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়ে এখন আবার আমাদের অনেক বেশি সাবধানে থাকতে হবে। কারণ, গাড়ল খৃস্টান, শ্বেতাঙ্গ বা কৃষ্ণাঙ্গ কোনও একদল যুবক সর্দার রাজিন্দর সিংজির মতো আমাদের ওপর যে কোনো সময়ে চড়াও হতে পারে, আর মারধর করে রাস্তায় ফেলে রেখে দিয়ে চলে যেতে পারে। আমাদের পাগড়ি নেই, দাড়িও নেই। সুতরাং, খুলে নেওয়ার, আর ছিঁড়ে নেওয়ার আর যা যা ব্যবস্থা আছে, তা আরো ভয়াবহ। ভাবলেই গায়ের রক্ত হিম হয়ে আসে। এখানে যেসব বাংলাদেশি বা পাকিস্তানি মুসলমান থাকে, বা আরব দেশের মুসলিম, তাদের অনেকেই দাড়ি রাখে না, আর টুপিও পরে না। তাদের অবস্থাও আমাদেরই মতো। আমাদের দেখতেও এক, আমাদের ভাষাও এক, আমাদের হাসিও এক, আর মার খেলে কান্নাও একই রকম। আমাদের চোখের জলের রং এক। 

ছবি: পিক্সঅ্যাবে

অথচ, এই অতি কম সংখ্যক ধর্মান্ধ ইডিয়টদের জন্যে আজ আমাদের সবাইকেই আশংকায় দিন কাটাতে হচ্ছে। এই আশংকা ক্রমে আরো বাড়বে। মাঝে মাঝেই আমেরিকায়, ভারতে, বাংলাদেশে, পাকিস্তানে, ব্রিটেনে, ফ্রান্সে, জার্মানিতে, ইজরায়েলে, সর্বত্র ইডিয়টরা মানুষ মারবে, আর সাথে সাথে শাসকশ্রেণী তাদের নিষ্পেষণ, নিপীড়ন, মগজধোলাই আরো বেশি, আরো বেশি বাড়িয়ে যাবে। ট্রাম্পদের বেপরোয়া কথাবার্তা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

আমরা যারা বহু মুসলমান বন্ধু বান্ধবীর সঙ্গে বহু বছর ধরে খুব কাছ থেকে মেলামেশা করেছি, একসঙ্গে গান গেয়েছি, কবিতা পড়েছি, রবীন্দ্রনাথ নিয়ে গলা ফাটিয়েছি, তাদের বাড়ি গিয়ে নিশ্চিন্তে রাত্রিযাপন করেছি, পিকনিকে গিয়ে একসঙ্গে ভাত আর পাঁঠার ঝোল খেয়েছি, ফুটবল ক্রিকেট খেলেছি, আমরা জানি আমরা সংখ্যায় অনেক বেশি। আমরা জানি, আমাদের বাড়ি বন্দুক নেই, পিস্তল নেই, বোমা নেই, বারুদ নেই। আমাদের বাড়ি উগ্রপন্থী লিটারেচার নেই। আমরা হিংসা বিক্রি করি না, রাখি না। এতকাল ধরে এদেশে আছি, যা কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি, এদেশে তা পেয়েছি। মিশর থেকে সুদান, সুদান থেকে সেনেগাল, সেনেগাল থেকে ইরাক, ইরাক থেকে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আমেরিকা, ব্রিটেন, ক্যানাডা, হল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির মুসলমানদের খুব কাছ থেকে দেখেছি। পাকিস্তানি বন্ধু কবি হায়দার রিজভির পাগলামো দেখেছি, হেসেছি, কবিতা শুনেছি, আবার তার মৃত্যুতে কেঁদেছি একসঙ্গে বন্ধুদের নিয়ে। 

হিংস্র, ধর্মান্ধ, আর গাড়ল হবিবুল্লাভিচেরা আছে, থাকবে। দারিদ্র্য, অশিক্ষা, অবিচার, নিপীড়ন, নিষ্পেষণ, যুদ্ধ, মৃত্যু, বন্দিত্ব, অত্যাচার হিংসার জন্ম দেবে। চেম্বার্স স্ট্রিটে আবার হয়তো একদিন আর একটা ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে যাবে। হয়তো সেদিন আমি বা আমার পরিবার বা বন্ধুস্থানীয় কেউ সেই মর্মান্তিক ঘটনার বলি হব। লাস ভেগাসের মেশিন গান গণহত্যার মতো, প্রাইমারি স্কুলের দুধের বাচ্চাদের শেষ করে দেওয়ার মতো, সাউথ ক্যারোলাইনার ব্ল্যাক চার্চের ঘটনার মতো নৃশংসতা আবারও ঘটবে। কারণ, শাসক শ্রেণি আর তাদের মিলিটারি ও মিডিয়া সমস্যার মূলে গিয়ে তা সমাধান করতে চায় না। বরং, এসব ঘটনা ঘটলে তাদের সুবিধে বেশি, বিক্রি বেশি, মুনাফা বেশি।

কিন্তু, তা সত্ত্বেও আমরা জানবো, ওরা অতি সংখ্যালঘু। আমাদের সংখ্যা অনেক বেশি। ওদের হিংসা ও অন্ধতা আমাদের শান্তি, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও মনের জানলা খুলে মনটাকে আলোবাতাস লাগিয়ে রাখার সিধুজ্যাঠাকে শেষ করে দিতে পারবে না।

এই মনুষ্যত্বের চিরকালীন সিধুজ্যাঠাই আমাদের বাঁচিয়ে রাখবে চিরকাল। আমরা আলোর পথযাত্রী। এ যে রাত্রি। এখানে আমরা থামব না।

Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -