SEND FEEDBACK

Cancel
English
Bengali
Cancel
English
Bengali

সিক্স প্যাকস অ্যাবস কীভাবে বানাবে, পর্ব ১

মে ৬, ২০১৭
Share it on
এক এক জনের শরীরে এক এক রকমের জেনেটিক ফ্যাক্টরের প্রভাব থাকে। সেই অনুযায়ী শরীরের গঠন তৈরি হয়।

এই মুহূর্তে ইয়ং জেনারেশনের ক্রেজ কিন্তু ফোকাসড হয়েছে সিক্স প্যাকস অ্যাবসের উপর। নিজের চেহারা যাই থাকুক না কেন, খুব মোটা কিংবা লিকলিকে রোগা টিনএজারদের টার্গেট কিন্তু ওই অ্যাবসের উপর। এটা নিয়ে খোদ মুম্বইতেও হিরোদের মধ্যে ‘ইঁদুর দৌড়’ শুরু হয়েছে। এরই প্রভাব আমাদের মধ্যে কমবেশি অনেকেরই উপরে পড়েছে। 


স্টুডেন্টের ছবি

এই ব্যাপারে আমি কিছু প্রয়োজনীয় তথ্যের উপর আলোকপাত করতে চাই। এক এক জনের শরীরে এক এক রকমের জেনেটিক ফ্যাক্টরের প্রভাব থাকে। সেই অনুযায়ী শরীরের গঠন তৈরি হয়। যেমন— 

১. কারও শরীরের গঠন মেদবহুল, স্থূলকায় বা এককথায় মোটা, এই ওবেস ক্যাটেগরির কেউ যদি সিক্স প্যাক অ্যাবসের স্বপ্ন দেখেন তবে সেটা একটু দুরূহ ব্যাপার হয়ে যাবে। হবে না এমন কিন্তু নয়, তবে ব্যাপারটা সময়সাপেক্ষ। এই ক্যাটেগরির ক্ষেত্রে প্রথমেই উচ্চতা অনুপাতে যে বডিওয়েট হওয়া দরকার, সেই ওজনে নিজেকে প্রথমে আনতে হবে। এর জন্য দরকার কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম। যেমন হাঁটা, জগিং, সুইমিং, সাইক্লিং কিংবা জিমে গিয়ে অ্যারোবিকাল এক্সারসাইজ— তার সঙ্গে প্রপার ব্যালেন্সড ডায়েট। প্রথম কর্তব্য, শরীরের মেদ ঝরিয়ে টোনিং করা। মেদ ঝরিয়ে ঠিকঠাক টোনিং ব্যায়াম করলেই ফ্ল্যাট অ্যাবস হবে। তার পর আরও এক্সক্লুসিভ ব্যায়ামের মাধ্যমে সিক্স প্যাক অ্যাবের চেষ্টা করতে হবে। সময়সাপেক্ষ ব্যাপার— কারণ এটা জেনেটিক ফ্যাক্টর। 

২. দ্বিতীয় ক্যাটেগরির চেহারার ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে কিছু মেদ থাকে বিশেষ করে সেন্ট্রাল বডি পার্টে— অর্থাৎ পেট এবং কোমর মেদবহুল হয়। একে সেন্ট্রাল ওবেসিটি বলে। দেহের অন্যান্য জায়গা থেকে এটাই বেশি ফোকাসড। এক্ষেত্রেও উচ্চতা অনুপাতে বডিওয়েট ব্যালেন্স করতে হবে কার্ডিওভাসকুলার এবং ডায়েটের মাধ্যমে। তার পরেই পুরোদমে এক্সক্লুসিভ পেটের ব্যায়াম করে ড্রিম ফিগার অর্থাৎ সিক্স প্যাক আনা সম্ভব। 

সব সময় মনে রাখতে হবে যে, মোটা শরীরে শুধু পেটের ব্যায়াম করেই পেটের চর্বি কমানো যায় না। পেটের ব্যায়াম করলে মাসল টোনিং হয় কিন্তু পুরো চর্বি ঝরাতে গেলে অ্যারোবিকাল এক্সারসাইজ প্রয়োজন। 

৩. এবার তৃতীয় ক্যাটেগরির চেহারায় প্রথমে ফ্যাট লস, তার পর টোনিং আর সবশেষে ফাইনাল শেপিং। এই চেহারা পুরো মেদহীন— আমরা যখন রাস্তাঘাটে চলি, একটু চোখ খোলা রাখলেই দেখতে পাব। মুটে, মজুর, ক্ষেতমজুর এবং রিক্সাচালকের চেহারা। এঁদের অনেকেরই চেহারা একেবারে কাট কাট মেদহীন। খুব মাসকুলার, দেখার মতো। অনেক সময়ে এঁরা খালি গায়ে কাজ করেন। পেটের মাসল দেখলে সত্যিই অবাক হতে হয়। আবার অনেক টিনএজ ছেলেরাও জন্মগত খুব রোগা। খাওয়া-দাওয়া করেও গায়ে মাংস লাগে না। কোনও ব্যায়াম না করেই এদের অদ্ভুত ভাবে সিক্স প্যাক অ্যাবস তৈরি হয়ে যায়। সবই জেনেটিক ফ্যাক্টর। এক্ষেত্রে এসব ছেলেদের যদি উপযুক্ত গুরুর তত্ত্বাবধানে ঠিকঠাক ব্যায়াম করানো যায়, তাহলে এরা অচিরেই ছিপছিপে, ফিট, মেদহীন সিক্স প্যাক অ্যাবস সমেত অপূর্ব অ্যাথলেটিক ফিগারের অধিকারী হতে পারে, যেটা টিনএজারদের ড্রিম ফিগার। 


ফিটমন্ত্রের লেখক, যিনি মনে করেন আগে নিজে চেহারা তৈরি করতে হয় তার পরেই অন্যকে গাইড করা যায়।

পাঠক-পাঠিকারা নজর রাখুন পরবর্তী পর্বগুলিতে। কারণ পর পর তিনটে ক্যাটেগরির ফিগারের অধিকারী ছেলেরা এবং মেয়েরা কীভাবে পুরো মেদ ঝরিয়ে ফিট এবং অ্যাথলেটিক লুক (ছেলেদের সিক্স প্যাক অ্যাবস আর মেয়েদের ফ্ল্যাট অ্যাবস) আনতে পারে, সেটি বিশদে প্রপার ডায়েট ও এক্সারসাইজের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করব।

Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -