‘‘পুষ্পাঞ্জলির ফুল প্রতিমার পায়ে না দিয়ে আমার দিকে ছুঁড়েছিল’’
কিশোর বয়সে পুজোর স্মৃতি মানে পাড়ার অঞ্জলি এবং প্রেমে পড়া। তেমন একটা মিষ্টি অভিজ্ঞতা রয়েছে টেলি-তারকা সুদীপ্তা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। 
‘‘পঞ্চমীর রাতে বেরিয়ে বুঝেছিলাম কী ভুল করেছি’’
জয়ী দেবরায়, বাংলা টেলিভিশনের ‘হৃদয়হরণ’-নায়ক এবেলা ওয়েবসাইটকে জানালেন বাবা-মাকে নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁর। 
পুজোতেই দেখা, পুজোতেই প্রেম! রইল সুবান ও তিয়াসার বিয়ের গল্প  
২০১৭-র শারদোৎসবেই প্রথম পরিচয়। তার পরে চার হাত এক হতে বেশি দেরি হয়নি। এবেলা ওয়েবসাইটকে জানালেন সুবান ও তিয়াসা তাঁদের প্রথম দেখা, ভাললাগা ও বিয়ের গল্প।
সুন্দরীর পায়ে ব্যথা! অগত্যা কোলে নিয়েই কয়েক কিমি হেঁটেছিলেন জয়জিৎ
পুজোর স্মৃতি মানেই এমন কিছু পুরনো কথা যা এখনও মনের মধ্যে উজ্জ্বল। তেমনই একটি ঘটনার কথা জানালেন জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুজোয় বাইরে থাকা মানে "রথ দেখা কলা বেচা"
"পুজোর সময়ে কলকাতার বাইরে বা দেশের বাইরে থাকাটা যেন অনেকক্ষেত্রেই রথ দেখা কলা বেচার সামিল", বলছেন নীপবীথি। তবে পুজোর স্মৃতিতে আজও অমলিন হয়ে আছে গ্যাস বেলুন আর চকোবার। ছোটবেলার স্মৃতি আজও বড় বেশি টাটকা এই সঙ্গীত শিল্পীর।
‘‘রোজ চকোলেট দিত বুম্বা আঙ্কেল’’—কথার ফুলঝুরি একরত্তি অ্যাডোলিনার
এই মুহূর্তে টলিউডের ব্যস্ততম শিশুশিল্পী। ক্লাস ওয়ানের অ্যাডোলিনার দিনভর প্রচুর কাজ। মিষ্টি অ্যাডোলিনার ঝুলিতে রয়েছে দারুণ সব অভিজ্ঞতা। আড্ডায় জানাল ‘দৃষ্টিকোণ’-এর শ্যুটিংয়ে বুম্বা আঙ্কেলের দেওয়া চকোলেট ছিল ফেভারিট। এবছর পুজোয় মুক্তি পাচ্ছে অ্যাডোলিনার নতুন ছবি 'আবাহন'।
‘‘এখন পুজো মানেই তো কম্পিটিশন আর গ্ল্যামার, মজাটা উধাও’’। পুজোর মজা নিয়ে অকপট অনিন্দ্য
‘‘কিশোর ও তরুণ বয়সে আমাদের কাছে সেলিব্রিটিরা এত সহজলভ্য ছিলেন না। পথেঘাটে সেলফি তোলার ফ্যাশনও ছিল না। বরং পুজো প্যান্ডেলের পিছনে হালকা অন্ধকারে চুমু খাওয়ার মধ্যে যে অনাবিল আনন্দ ছিল, সেটা আজ যেন কোথাও নেই।’’ বললেন অভিনেতা ও পরিচালক অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
যে সময়ে দামি জামা পেতেন না, সেই সময়গুলোর দামই আজ বিপুল
পুজোর কটা দিন একটু ভাল থাকা, একটু বাড়তি বাঁচা বা একটু বেশি ভাল লাগা— নাহ্, আর কিছুই যেন ভাল লাগে না শ্রীলেখার। পুজোর অনুভূতি শুনতে গিয়ে এক গ্ল্যামারের ঘেরাটোপবিহীন এক অভিনেত্রীর কিছু নিজস্ব আবেগের সন্ধান পেল এবেলা.ইন।
দুর্গাপুজো এলেই শিউলি খোঁজেন সোহিনী
নিজের নারীত্ব-যাপনটাও এই সময়ে নিজের মতো করেই করে থাকেন অভিনেত্রী সোহিনী। সাজতে-গুজতে তাঁর আপত্তি নেই, তবে পুজোর ক’দিন স্বাদটা একটু বদলে যায়। যেমন হালকা গয়না, নোয়া, সিঁদুর— নিজের মতো করেই নিজেই সাজিয়ে চলে পুজো-যাপন।
নায়িকা হওয়ার পরে লুকিয়ে প্রেমটা হারিয়ে গেছে
পুজো মানেই নস্ট্যালজিয়া। শিউলি ফুলের গন্ধ আর দূরের মাঠে কাশ ফুল ফুটে থাকার দৃশ্যকল্পের মতোই ছেলেবেলার স্মৃতিগুলো ফিরে ফিরে আসে উৎসবের দিনে। পুজোর কথা বলতে গিয়ে শৈশবের হাজার গল্পের ঝাঁপি খুলে দিলেন সোহিনী সরকার।
সেই পুজোর গন্ধ আজও পিছু টানে, জানালেন আবির
এখন নায়ক আবিরের পুজো কাটে একটু অন্যভাবে। পুজো মানে এখন ছবির প্রচার, না হলে পূজো পরিক্রমা।তবে ছোটবেলার দিনগুলো ছিল ভীষণ রঙিন আবির চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। তাঁকে যখন ছোটবেলার পুজের কথা নিয়ে বলতে বলা হল, তখন খুবই নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন তিনি।
দ্বৈপায়নের সঙ্গে দেখা হওয়ার পরে পালটে গিয়েছে পায়েলের পুজো
দু’জনেই অ্যাক্টর এবং দু’জনেরই পায়ের তলায় সর্ষে। তাই প্রতিবছরের মতো এই বছর পুজোতেও সুন্দর প্ল্যান করে রেখেছেন দু’জনে। কী প্ল্যান, জানালেন এবেলা ওয়েবসাইটকে।