Food And Travel
ঝালে-ঝোলে-অম্বলে যদি মাততে চান, তাহলে চলুন ‘ঝাল-ফারেজি’
বেগুন ভাজা, পোস্ত বড়া, আমরুল পাতা বাটা থেকে শুরু করে কাতলা মাছের ভাপা, পুরুলিয়া মুরগির মাংস। শেষপাতে চাটনির বাহারি আয়োজন থেকে মিষ্টিমুখ। পুজোর খাবারে তাই হট প্লেস ‘ঝাল-ফারেজি’
পেটপুজোর হিসেব সল্টলেক এবং দমদম এলাকায়
সল্টলেক এবং দমদম এলাকায় অসংখ্য পুজো দেখতে গিয়ে চালিয়ে নিন পেটপুজোর হিসেবটাও। আগে থেকে রুটম্যাপ করা থাকলে শুধু হদিস জানার পালা।
পুজোয় বাড়িতেই পেটপুজো! আমিষ প্রেমীদের জন্য জিভে জল আনা রেসিপি
নবমী বলে কথা! অষ্টমীর দিন নিরামিষ খাওয়ার পর এদিন তো মন চাইবেই আমিষ খেতে। বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন রকমারি আমিষ পদ।
যতখুশি ইলিশ খান! সঙ্গে চিংড়ি, মাটন, বিরিয়ানি। কোথায়?
স্টার্টারে থাকবে তন্দুরি পমফ্রেট, আজওয়ান ফিশের মতো পদ। শেষ পাতে থাকছে ডেসার্টস।
এবার পুজোয় কেএফসি-তে আড্ডা দিয়ে জিততে পারেন অনেক পুরস্কার
পুজো মানেই পেটপুজো। তার সঙ্গে যদি জিতে নেওয়া যায় পুরস্কার তবে সোনায় সোহাগা হয়। জেনে নিন কেএফসি পুজো প্রতিযোগিতায় কীভাবে অংশ নেবেন...
দুর্গা পুজোয় আপনার গন্তব্য হতে পারে সুন্দরবনের ঝড়খালি
কলকাতার সায়েন্স সিটি মোড় থেকে গাড়িতে মাত্র আড়াই ঘণ্টা। অথবা শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং লাইনের ট্রেন ধরে ক্যানিং স্টেশান থেকে বাসে করে পৌঁছনো যায় ঝড়খালি। সেক্ষেত্রেও, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায় নদী আর ম্যানগ্রোভ ঘেরা সবুজ, স্নিগ্ধ প্রকৃতির মাঝে।
পেটপুজোয় চিকেন দো পেঁয়াজা বা কাবাব, শিলিগুড়িতে মিলবে মোঘল বিরিয়ানিও
পুজোর জন্য শিলিগুড়ির বিভিন্ন রেস্তোরাঁগুলি যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। এবার খালি পকেটের ভার বুঝে ঢুকে পড়ার অপেক্ষা। তবে কি খাবেন তা আগেভাগে ঠিক করেই পছন্দ করুন সেরা রেস্তোরাঁটি।
পুজোর ভিড়েও সস্তায় সুস্বাদু খাবার! পেট ভরাতে সরকারি উদ্যোগ
পুজোর ভিড়ে পেট পুজো সারতে গিয়ে এক দিকে ছোট, বড় রেস্তোরাঁর বাইরে লম্বা লাইন, তার উপরে চড়া দামের ঝক্কি পোহানো অবধারিত।
পুজোর ছুটি কাটাতে কালিম্পঙের পাহাড়িয়া হোম-স্টে
কালিম্পঙের প্যাটেন-গোদক, তোদে-তাংতা, সুরুকের মতো পাহাড়ি গ্রামে সদ্য গজিয়ে ওঠা হোম-স্টে হতে পারে এবারের পুজোর ছুটি কাটানোর ডেস্টিনেশন।
ষষ্ঠীতে সরষে ইলিশ, অষ্টমীতে খিচুড়ি, পুজোর খাবারের ঠিকানা লেখা কেউপি’স কিচেন-এ
পুজোর ক’টা দিন বিন্দাস উড়ন-ছু, মাঝে একবার ঢু মেরে নিন ঘরোয়া বাঙালি খাবারে, যা হয়তো আপনাকে মনে করিয়ে দিতে পারে ফেলে আসা কোনও দিনের স্মৃতি। আর এরজন্য কেউপি’স কিচেন হতে পারে সেরা ঠিকানা।
আদা-রসে ডোবানো কাবাব, সঙ্গে নিখাদ পুজো আড্ডা। ডেস্টিনেশন পঞ্জাবি রসুই...
কাবাবের স্বাদ আর গন্ধে এক নতুন জগৎ খুলে দিয়েছে দক্ষিণ কলকাতার এই রেস্তোরাঁ। নর্থ ইন্ডিয়ান খানার সঙ্গে পঞ্জাবি রসনার এমন চমৎকার মিশেল অন্য কোথাও কিন্তু মেলা কঠিন।
পুজোর দিনগুলিতে কাছে পিঠে কোথায় যাবেন? ঘুরে আসুন ব্যান্ডেল চার্চ
কলকাতা শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে হুগলি জেলায় অবস্থিত ব্যান্ডেল চার্চ। ভারতের অন্যতম পুরনো গির্জাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি চার্চ।
কষা মাংসের ঝালে পুজোর ঘূর্ণিপাক, পেটপুজোর ঠিকানা ‘কষে কষা’
মালাই চিংড়ি বিরিয়ানি থেকে কষা মাংস, ঢাকাই মাংস, গন্ধরাজ মাংস, সঙ্গে রকমারি মাছ— পুজোয় চড়ুইভাতি। এই লোভনীয় আয়োজনই ‘কষে কষা’র ইউএসপি।
পুজোয় একদিনের হলিডে ডেস্টিনেশন হোক ‘গাদিয়াড়া’
গাদিয়ারা— পুজোর সময়ে এটি আপনার কাছে হয়ে উঠতেই পারে ‘আনপ্ল্যানড্ ফেসটিভ ডেস্টিনেশন’। কলকাতা থেকে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দূরত্বে এই জায়গাটি দামোদর, রূপনারায়ণ এবং হুগলি নদির সঙ্গমস্থলে অবস্থিত।
পুজোর দিনে একদিনের সফরে চলুন চন্দননগর...
প্রতি বছর কলকাতার পুজোয় যদি একঘেয়েমি চলে আসে তাহলে এবার পুজোয় স্বাদ বদল করতে পৌঁছে যেতে পারেন হুগলীর চন্দননগর। কলকাতা থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে এই ঐতিহাসিক ‘ফ্রেঞ্চ কলোনি’।
ইলিশ-ভেটকি আর চিংড়ি-র ককটেল। পুজোর পাতে মাছ মানে ‘ফিশ্ ফিশ্’
এক-আধ রকমের মাছ নয়, এখানে হয় মাছ দিয়ে ভুরিভোজ। বাঙালির পাতে যে এত ধরনের মাছের পদ পড়তে পারে, তা ‘ফিশ্ ফিশ্’-এ না এলে ঠাহর করা মুশকিল।
পুজোর দিনে কাছে পিঠে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? ঘুরে আসুন কোলাঘাট
কলকাতা থেকে প্রায় ৬৭ কিলেমিটার দূরত্বে, পূর্ব মেদিনীপুরের রূপনারায়ণ নদীর তীরের এই জনপদ সর্বকালের পরিচিত পিকনিক স্পট।
পুজোর মধ্যে ছুটি কাটাতে ঘুরে আসুন ‘গড়চুমুক’
গড়চুমুকের গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে দেবে এক ভরপুর ছুটির মেজাজ। হাওড়া জেলার হুগলি ও দামোদর নদীর সঙ্গমস্থলে এক জনপ্রিয় পিকিনিক স্পট গড়চুমুক।
চিংড়ি মাছের ভুনায় পুজোয় বাঙালির রসনা-বিহার, ঠিকানা ৬ বালিগঞ্জ প্লেস...
মাছের আড়ম্বরে মাংসের মিশেল। তবে যাঁরা নিরামিশাষী, তাঁদের জন্যও থাকছে বিশুদ্ধ সব বাঙালি পদের আয়োজন। পুজোর দিনে জম্পেশ সেই ভুরিভোজের রসনাকে কীভাবে আড়াল করবে আম বাঙালি?
পুজোর শেষ দিনটি কাটিয়ে আসুন ইছামতীর তীরে...
কলকাতা শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে, ইছামতী নদীর তীরবর্তী টাকি, ইতিহাস এবং পুরাণের এক অতুলনীয় মেলবন্ধন। নদীর অপর তীরে বাংলাদেশ সীমান্ত।
পুজোর মধ্যে একটা দিন বেড়িয়ে আসুন জয়রামবাটি-কামারপুকুর
কামারপুকুরের খ্যাতি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের বাসভূমি হিসাবে। কামারপুকুর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত জয়রামবাটি স্থানটিও বেশ ঐতিহ্যমণ্ডিত, কারণ এটি সারদা দেবীর জন্মস্থান।