দেবীর মহাস্নানে চাই ‘বেশ্যাদ্বার মৃত্তিকা’, এর আসল অর্থ ঠিক কী
পুরাণ-বর্ণিত বেশ্যা আর আজকের পণ্যবাদী সমাজের বারবণিতার মধ্যে ফারাক অনেকটাই। প্রাচীন শাস্ত্র বা ইতিহাসের নিরিখে বিচার করলে ‘বেশ্যা’ শব্দটির অর্থ অত্যন্ত বৃহৎ।
দুর্গাপুজোয় চণ্ডীপাঠ করা হয় কেন, জানুন দেবীর মহিমা
‘পদ্মপুরাণ’-এও বলা হয়েছে, দুর্গাপুজোয় চণ্ডীপাঠ অবশ্যকর্তব্য। এই পুরাণে মহাদেব পার্বতীকে বলেছেন, দুর্গাপুজোয় সাধক একাগ্রচিত্তে সপ্তশতী চণ্ডীমন্ত্র জপ করবে।
আজকের নারীদের কাছেওসিঁদুর খেলার এত গুরুত্ব কেন, জানুন শাস্ত্রের ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ রীতিতে সিঁদুরদান লৌকিক আচার মাত্র হলেও সুপ্রাচীন কাল থেকে বিবাহিত নারীরা স্বামীর মঙ্গলকামনায় সিঁথিতে সিঁদুর পরতেন।
রজস্বলা মহিলারা কি দুর্গাপুজোয় অংশ নিতে পারেন, কী জানায় সনাতন ধর্ম
দুর্গোৎসবে সংকল্প করে বরণ হয়ে যাওয়ার পরে শুভ অশৌচ, মরণাশৌচ বা নারী রজস্বলা হলে দুর্গাপুজোয় অংশ নিতে পারেন।
মহাপূজার মহাক্ষণ মহানবমী, জানুন এই দিনটির মহিমা
জপ আসলে মাকে স্মরণ করা। এই জপের সংখা ১০৮ বা ১০০৮ বা লক্ষও হতে পারে।
দুর্গাপুজোয় তুমুল অশ্লীলতা, খেউড় গান, শ-কার ব-কার, জানুন কাহিনি
নবমীর বলি হয়ে গেলে আর একটি উৎসব শুরু হতো— তাঁর নাম 'কাদামাটির গান'। ‘হুতোম পেঁচার নকশা’-য় রয়েছে সে পর্বের কথা।
দুর্গাপুজোয় বলি কি সিদ্ধ, ঠিক কী কী বলে শাস্ত্রমত
আপনার রসনা ও উদর তৃপ্তির জন্য অথবা অকারণ পশুবধকে ‘অবৈধ হিংসা’ বলে। কিন্তু দেবকার্যে পশুবধ দূষণীয় নয়। দেবকার্যে পশুবধকে ‘বৈধ হিংসা’ বলে, যা অহিংসার তুল্য।
বিসর্জনের ঠিক পরেই শুরু হয় দুর্গা পুজো, জানুন শাস্ত্রকথা
সারাবছর জীবনযুদ্ধে আমরা যেন অপরাজেয় থাকতে পারি— এই সঙ্কল্প নিয়ে তাই বিজয়াদশমীর দিন দেবী বিসর্জনের পরে আজও হয় অপরাজিতা পুজো।
বিজয়া দশমীতে কার ‘বিজয়’-এর কথা বলে ভারতীয় ঐতিহ্য
পুজোর দিনগুলিতে পুরোহিতের মন সর্বগতা চিন্ময়ী দেবতাকে আরাধ্য প্রতিমাতে জাগ্রতরূপে বিরাজমানা চিন্তা করে।
মা দুর্গার পুজোয় কোন অর্ঘ্য কী ফল দেয়, জানুন শাস্ত্রবচন
সামর্থ্য থাকলে দেবীকে বস্ত্র দান করুন। বস্ত্র প্রদানে সর্বপ্রকার সিদ্ধি লাভ হয়। তাছাড়া, সিঁদুর ও আলতা অবশ্যই পুজোতে দেবেন।
মহামায়ার মহাপুজোর রাতে শরীরী মিলন নিয়ে অনেক নিয়ম শাস্ত্রের
দুর্গাষ্টমীতে অন্নগ্রহণ করলে সহস্র বর্ষ নরকবাস হয় বলে ‘কালিকাপুরাণ’-এ বলা হয়েছে।
মহালয়া কি আদৌ ‘শুভ’, জেনে নিন কী বলছে সনাতন ধর্ম
হিন্দু বিশ্বাস মতে, এই সময় প্রেতলোক থেকে পিতৃপুরুষের আত্মারা ফিরে আসে এই মর্ত্যলোকে। সেই প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করার দিনটিই হল মহালয়া।
দেবীর প্রিয় তিথি অষ্টমী, পূজায় ভক্তদের মেলে বিশেষ প্রাপ্তি
অষ্টমী তিথি হলো অসুরবিনাশী শুদ্ধসত্তার আবির্ভাব তিথি। অষ্টমী তিথিতে দেবী মহালক্ষ্মীরূপা বৈষ্ণবী শক্তি।
দেবী দুর্গার সঙ্গে সঙ্গে পুজো পান মহিষাসুরও, জানুন শাস্ত্রমত
দেবীর পাদলগ্ন হয়ে মহিষাসুরের পুজো পাওয়ার বিবরণ এক ‘কালিকাপুরাণ’ ছাড়া আর কোথাও নেই।
ভক্তদের অপার ফল দান করে দুর্গাপূজা, জেনে নিন শাস্ত্রমত
মহাবাধা, সংসারবন্ধন, কুকর্মত্ব, শোকদুঃখ, নরকজ্বালা, কালপাশ, মহাভয়, মহাব্যাধি প্রভৃতি থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।
দুর্গাপূজায় কুমারী পূজা বিশেষ গুরুত্বের, অপার রহস্য এই আরাধনার
দেবীর ‘কুমারী’নামটি বহু প্রাচীন। ‘তৈত্তিরীয় আরণ্যক’-এ প্রথম দেবীকে ‘কুমারী ব্রহ্মচারিণী’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে।
কুমারী পুজোয় মেলে অসংখ্য ফল, জানুন শাস্ত্রের নির্দেশ
বয়স অনুসারে কুমারীর নামকরণ এবং সেই কুমারীকে পুজো করলে কী ফল মেলে, তা বলা হয়েছে সনাতন শাস্ত্রে।
দুর্গাপুজো ‘মহাপুজো’, জেনে নিন পুরাণের বর্ণনা ও যুক্তি
‘শ্রী ভগবতী গীতা’য় দেবী স্বয়ং বলেছেন—‘‘দুর্বৃত্তদের শাসন করবার জন্য আমিই মহাশক্তি রূপ ধারণ করে জগৎ পালন করি।’’ এই মহাশক্তিই দেবী দুর্গা।
দুর্গাপুজোয় ১০৮ পদ্ম নিবেদনে ফলে আশ্চর্য ফল, জানায় তন্ত্র
‘কালিকাপুরাণ’-এ বলা হয়েছে, ‘‘দেবী স্বয়ং বলেছেন যে, ব্যক্তি ভক্তিযুক্ত হয়ে ১০৮টি রক্তপদ্ম মহাদেবীকে অর্পণ করে, সে মদীয় ধামে অসংখ্য কল্পবাস করে এবং শেষে পৃথিবীতে রাজা হয়ে জন্মগ্রহণ করে।’’
দেবীর পুজোয় অবশ্যই জ্বালুন ১০৮ প্রদীপ, অর্থ অতি গভীর, মেলে অনেক সুফল
১০৮টি প্রদীপের আলো অজ্ঞতার ও অশুদ্ধতার বিনাশক। এই প্রদীপের আলো যাবতীয় অজ্ঞতাকে পুড়িয়ে জ্ঞানের প্রজ্ঞায় প্রদীপ্ত দীপশিখায় উদ্ভাসিত করে হৃদয়কে।
দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজো অতি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আনে, জানায় তন্ত্রশাস্ত্র
সন্ধিক্ষণেই কেবল দেবী স্বয়ং মূর্তিতে আবির্ভূতা হন। তাই সন্ধিপুজোয় ১০৮ পদ্ম ও সমসংখ্যক প্রদীপ উৎসর্গ করা হয়।
সন্ধিপুজোয় মেলে ৫টি অলৌকিক কৃপা, জানাচ্ছে প্রাচীন শাস্ত্র
‘স্মৃতি সাগর’ নামক স্মার্তগ্রন্থে সন্ধিপুজো সম্বন্ধে বলা হয়েছে— অষ্টমী তিথির শেষ দণ্ড ও নবমী তিথির প্রথম দণ্ডে "অত্র যা ক্রিয়তে পূজা বিজ্ঞেয়া সা মহাফলা।"