প্রেম কথা
আমি অন্যরকম ভালোবাসার হীরের গয়না শরীরে নিয়ে জন্মেছিলাম
বাঙালি কিশোরের প্রেম সম্পূর্ণই হয় না সুনীল-পাঠ ছাড়া। এখানে রইল তেমনই এক শ্বাশ্বত উচ্চারণ, যা আসলে সময়কে তাচ্ছিল্য করতে শেখায়।
কৈশোর পার হয়ে যৌবনের দোরগোড়ায় থমকে যাঁরা তাঁদের জন্য
এই কবিতা একটা ইভেন্ট। ১৯৮০-র শেষ দিকে প্রকাশিত এই কবিতায় কতটা জারিত হবে আজকের প্রজন্ম?
দাম্পত্য কতটা আশ্রয় প্রেমের? কতদিন টিকে থাকে মুগ্ধতা?
যিনি প্রেমে সদ্য পড়েছেন, তিনিও চেতনে-অবচেতনে ভেবে যান এই সব। আর যাঁরা পেরিয়ে এসেছেন অসংখ্য আগুনের নদী, তাঁরাও এই সব প্রশ্নের সামনে থমকে দাঁড়ান।
সাইকেলচালক ছেলে কেন ঘুরেফিরে আসে? মুন্নি কি জানে সে কথা?
ফাঁকা রাস্তায় ধুলো ওড়ে। পাড়া-প্রতিবেশী জানে সত্যি কথাটা। কিন্তু কৈশোর কি জানে? জানলেও সত্যিটাকে মেনে নিতে পারে না। মেনে নেওয়ার বয়সই নয় সেটা।
মাছের বুকের পাথর ক্রমেই আমাদের বুকে এসে জায়গা করে নিচ্ছে
সে এক আশ্চর্য অ্যালকেমি। তাতে মন পুড়ে কখন সোনাবর্ণ হয়ে যায়, টের পাওয়া যায় না। কেবল মনে হতে থাকে, এর পরে কি আরও বাকি থাকে কিছু?
‘শুধু তোর জন্যই আমি মৃত্যু পিছিয়েছি’
সব কিছুর পরিণতি হয় না। হতে নেই। আর হতে নেই বলেই এক একটা রাত লম্বা, এক একটা রাত বিনিদ্র। চন্দন ভট্টাচার্যের ‘ঝাড়খাওয়া কবিতাগুচ্ছ’-এর একটি অংশ—
পাড়াবদলের পর কেন ফিরে আসে না পুরনো পাড়ার প্রেম?
মফস্‌সলের মেয়ে। মুখচোরা। বাড়ি বদলের সঙ্গে সঙ্গে সব কিছু বদলে যায় না। মন খারাপ পিছুডাকের মতো ফেরায়। সেই ফেরাকেই লিখেছেন এই সময়ের তরুণ কবি অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।
শুধু এই গানের দিব্যি, প্রেমে না পড়ে উপায় নেই
এ গান জীবনে একবার অন্তত না শুনলে প্রেম অপূর্ণ থেকে যায় আর তেমন দরদ দিয়ে এ গান গাইলে জীবনে প্রেম না এসে উপায় নেই।
প্রিয়তমাকে লেখা এক কবির প্রেমপত্র
বাসবী চক্রবর্তীকে লেখা কবি ভাস্কর চক্রবর্তীর এই চিঠিটি কি সেই বিষণ্ন মেঘমালার একটা উদাহরণ? তখনও বাসবীর সঙ্গে বিয়ে হয়নি ভাস্করের।
শালবন-আম্রকুঞ্জ থেকে উঠে আসা একটি প্রেমের কবিতা
ছুটির অলস দুপুর হতে পারে সেটা, বিকেল হলেও ক্ষতি নেই। খোয়াই, বৃষ্টি আর শূন্যতাবোধ একাকার-- কার চিঠির কথা ভাবছিলেন কবি?