SEND FEEDBACK

English
Bengali

দুষণরোধে সরকারি উদ্যোগ নেই, তাই পুজো হল ‘মৎস্যকন্যা’-র

নিজস্ব প্রতিবেদন, এবেলা.ইন, জলপাইগুড়ি | এপ্রিল ১৫, ২০১৭
Share it on
কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক এই রাজ্যে যে সব নদীকে মাত্রাতিরিক্ত দূষণের তালিকায় এনেছে, তার মধ্যে জলপাইগুড়ির করলা নদী অন্যতম।

জলপাইগুড়ি শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে করলা নদী। এবং দিনের পর দিন তা অবলুপ্তির দিকে এগিয়ে চলেছে, দূষণের কারণে।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক এই রাজ্যে যে সব নদীকে মাত্রাতিরিক্ত দূষণের তালিকায় এনেছে, তার মধ্যে জলপাইগুড়ির করলা নদী অন্যতম। নদী পাড়ে সেচ দফতর থেকে করলাতে ময়লা, আবর্জনা ফেলতে নিষেধ করে সাইনবোর্ড টাঙানোর পরেও শহরবাসী নদীর বুকে আবর্জনা ফেলেই চলেছেন।

আরও পড়ুন:—

ভারত-বাংলাদেশ মিলন মেলায় ১০০ টাকায় মিলল জোড়া ইলিশ

গাছের গায়ে ‘চোখ’ ফোটা কীসের ইঙ্গিত! জোর জল্পনা, চলছে পুজো

এই সব সমস্যাকে সাক্ষী রেখেই বাংলা নববর্ষের দিন সকালে, জলপাইগুড়ি শহরে করলা নদীর বাবু ঘাটে, মৎস্যকন্যারূপী ‘করলা মা’ নামে দেবী বিগ্রহের পুজো করা হয়। শহরের সমাজ ও নদী বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকেই এই পুজার আয়োজন করা হয়। রীতিমত ঢাকঢোল পিটিয়ে, মন্ত্র পড়ে করলা মাতার আরাধনা করা হয়।

মহানন্দা অভয়ারণ্য থেকে উৎপত্তি হওয়া করলা নদী, জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে দিয়ে প্রায় ১১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে প্রবাহিত। আবর্জনা ও চড়া পড়ে যাওয়ার ফলে জলজ প্রাণীর বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হওয়ার অবস্থায় পৌঁছেছে।

জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন হাট-বাজারের আবর্জনা, থার্মোকল, বাক্স— সবই ফেলা হয় করলা নদীতে। নদী পরিষ্কার রাখার পরিকল্পনা সম্পর্কে জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান মোহন বসু স্পষ্টভাবে কিছুই জানাতে পারেননি। যদিও জেলা সেচ দফতর নদীর পাড়ে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রেখেছেন।

সমাজ ও নদী বাঁচাও কমিটির আহ্বায়ক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বলেন, নদী দূষণের বিষয়টি সেচ ও পুর প্রশাসনের আওতায় পড়ে। কিন্তু মানুষকে নদী দূষণ নিয়ে সচেতন করতেই এই ধরনের পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। ‘করলা মা’ নামে কোনও বিগ্রহ না থাকলেও, মানুষকে সচেতন করতেই এই পুজোর আয়োজন করা হয়।

Korolla River Jalpaiguri River Pollution
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -