Nirbikar Acharya

বহুরূপে সম্মুখে বাবা

ক্ষণে মেঘ, ক্ষণে রোদ, ঘুড়ি ঘুরপাক/ কান পেতে শোনো ওই, কে বাজায় ঢাক/ কাশফুলে দোলা লেগে মন উচাটন/ বাড়ি থেকে বের হও, চৌকি চাপন

প্রশ্ন পাঠান

প্রশ্ন পাঠানোর সময় নিজের নাম-ধাম-আতা-পাতা জানাতে ভুলবেন না যেন। পরীক্ষা প্রার্থনীয় ।

এই সপ্তাহের খোলাখুলি (২১ — ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮)
বেহালায় থাকি। মাঝেরহাট ব্রিজ ভাঙার পরে অফিস যেতে আসতে জ্যামের ধাক্কায় বেসামাল। সময় কাটাতে বাসে বসে ব্রিজ খেললে কি পুলিশ ধরবে?
অচিন সেনগুপ্ত, বেহালা
আচার্যমত : বাসে বসে ব্রিজ খেলুন, ক্ষতি নেই। ব্রিজে বসে কিছু না করলেই হল। কখন কী খসে পড়ে, কে বলতে পারে!
পুজো কমিটিগুলোকে ১০ হাজার করে মোট ২৮ কোটি দিল রাজ্য সরকার। কিন্তু ক্লাবগুলো তো স্পনসর পায়। তার চেয়ে ফি বেষ্পতিবারে লক্ষ্মীপুজো করার জন্য গৃহস্থকে কিছু দিলে হতো না?
শুভা নাগ, কাঁচরাপাড়া
আচার্যমত : শুভ প্রস্তাব। শনি বা শুক্রবারেই বা দোষ কোথায়? প্রতিদিনই তো কোনও না কোনও দেবতার ব্যবস্থা রয়েছে! অনুদানেই বছর কেটে যাক।
গিন্নি খুব সিরিয়াল দেখে। আর দিনরাত সন্দেহ করে, সিরিয়ালে দেখানো লোকগুলোর মতো আমিও নাকি একগাদা পরকীয়া করে বেড়াই। আপনি বাঁচান বাবা, আমার যে ডিভোর্স হয় হয় অবস্থা।
গণেশ সাঁতরা, মালদহ
আচার্যমত : আপনিও গিন্নিকে সন্দেহ করুন। অ্যাটলিস্ট তাঁকে জানান, ওই সিরিয়াল দেখে আপনার খালি মনে হয়, তিনি আর একটা বিযে করতে চাইছেন।
ফেসবুক খুললেই ঠাকুর-দেবতার ছবি। বলা হচ্ছে, শেয়ার না করলে বিপদে পড়তে হবে। এর কি কোনও প্রতিকার করা যায় না?
বনানী সেন, বাগবাজার
আচার্যমত : আপনি বরং শয়তানের ছবি পোস্ট করে হুমকি দিন, শেয়ার না করলে আজ রাতেই...
বাড়িতে একলা থাকতে হলেই অবস্থা কাহিল। খুব ভয় পাই। ভূতের। বয়স ৪৪। কিছু একটা উপায় বলুন প্লিজ।
অপর্ণা মুখোপাধ্যায়, কাকদ্বীপ
আচার্যমত : মনে করুন, আপনি ‘একলা’ নন। আপনার সঙ্গে ভূতেরা রয়েছে। ওদেরকে সঙ্গী ভাবুন। ভয় কেটে যাবে।
মাঝে মাঝেই স্বপ্ন দেখি, বাড়ির কোনও একটা কল খোলা। আর তা দিয়ে হুড়মুড় করে জল পড়ে যাচ্ছে। তার পর ঘুম ভেঙে মেজাজের দফা রফা। কী করে স্বপ্নের থেকে পরিত্রাণ পাই?
হাসিম তালুকদার, কৈখালি
আচার্যমত : কল খোলা তো ভাল কথা। অল্পের উপর দিয়ে যাচ্ছে। তাঁর কথা ভাবুন, যিনি সর্বদাই ভাবেন তাঁর আলমারির লকার খোলা।
বাজারে যাওয়ার আগে বউ একগাদা ফর্দ ধরায়। একটা মাল এদিক ওদিক হয়ে গেলেই মুখঝামটা। আপনি কোনও উপায় বলুন না, বউকে ম্যানেজ করার।
প্রমিত জানা, খড়্গপুর
আচার্যমত : প্রায়শই ভুল করুন। প্রতি মুখঝামটায় একটি করে সরল হাসি দিন। এক সময়ে তিনি থামবেনই।
আমি পাস গ্র্যাজুয়েট। চাকরি করি না। বাড়িতে বিয়ে দিতে চাইছে। এক্ষুনি বিয়ে করতে চাই না। কী করলে মুক্তি পাব?
রবিন সোম, বারাসত
আচার্যমত : হুমকি দিন। বলুন, বিয়ে দিলেই পরের দিন সন্ন্যাসযোগ রয়েছে আপনার, এ কথা এক মহাপুরুষ বলেছেন।
লটারির টিকিট কাটা ভাল না খারাপ?
অয়ন বসু, ব্যারাকপুর
আচার্যমত : প্রাইজ পেলে অবশ্যই ভাল, আর যদ্দিন না পাওয়া যাচ্ছে, তদ্দিন...
আমার মা জ্যোতিষে বিশ্বাস রাখেন। এই বাবা সেই বাবার কাছে ঘুরে বেড়ান। আমায়ও নিয়ে যান। আংটি পড়তে বাধ্য করেন। না পড়লে আত্মহত্যার ভয় দেখান। কী করে এর থেকে মুক্তি পাব?
সুমিত মিত্র, বরাহনগর
আচার্যমত : আপনি একটা তাবিজ ধারণ করে বলুন, এই তাবিজের কারণে আপনার আংটি পরা মানা। আর তাবিজ খুললেই মহাবিপদ।