SEND FEEDBACK

English
Bengali

নাইটদের বিরুদ্ধেও দাপুটে ব্যাটিং করতে মরিয়া ঈশান

সন্দীপ সরকার | এপ্রিল ২১, ২০১৭
Share it on
ঝাড়খণ্ডের তরুণ তুর্কি ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেও ভয়ডরহীন ব্যাটিং করার জন্য প্রস্তুত।

বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসটা হয়তো গুজরাত লায়ন্সকে ম্যাচ জেতাতে পারেনি। কিন্তু ঈশান কিষাণকে করে তুলেছে প্রবল আত্মবিশ্বাসী। এতটাই যে, ঝাড়খণ্ডের তরুণ তুর্কি ইডেনে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেও ভয়ডরহীন ব্যাটিং করার জন্য প্রস্তুত।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ন’টায় ইডেনের বাউন্ডারি লাইনের ধারে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারকে যখন ধরা গেল, গায়ের জার্সিটা ঘামে ভিজে সপসপ করছে। তবে উৎসাহ ও উদ্দীপনায় কোনও খামতি নেই। ‘‘আগের ম্যাচের ইনিংসটা নিয়ে অনেকের কাছেই প্রশংসা শুনেছি। ছাপ রাখতে পেরেছি বলে ভাল লাগছে। কিন্তু আমি খুশি নই। দলকে জেতাতে তো পারিনি। তা হলে আর কীসের গুরুত্ব রইল,’’ কথাগুলো বলার সময় বেশ পরিণত মনে হচ্ছিল ঈশানকে।
কিন্তু চাপের মুখে ওইরকম একটা ইনিংস খেলার পর আত্মবিশ্বাস নিশ্চয়ই বেড়েছে। ঈশান বলছিলেন, ‘‘তা বেড়েছে। আইপিএলে একটা ঝোড়ো ইনিংস খেলা আমার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল। বলতে পারেন, প্রথম সিঁড়িটা পেরতে সক্ষম হয়েছি।’’ ঝাড়খণ্ডের তরুণ যোগ করলেন, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেও একই ছন্দে ব্যাট করতে চাই। ভয়ডরহীন ব্যাটিং করতে চাই। বড় রান করে দলকে জেতাতে চাই।’’
কিন্তু কেকেআরের বোলিং তো টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা। উমেশ যাদব, সুনীল নারাইন, কুলদীপ যাদব, ক্রিস ওক্‌স। তার ওপর কেকেআরের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিরুদ্ধে বল হাতে নজর কেড়েছেন নাথান কুল্টার নাইল। পেয়েছেন ম্যাচের সেরার স্বীকৃতি। ঈশান বলছেন, ‘‘বোলারের নাম দেখে আমি খেলি না। হয়তো কোনও ব্যাটসম্যানই খেলে না। মাঠে নেমে যদি মারার বল পাই, মারব। সে বোলার যে-ই হোক না কেন। কেকেআরের বোলিং বেশ শক্তিশালী জানি। তবে টুর্নামেন্ট জিততে গেলে শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধেও পারফর্ম করতে হবে।’’
ঝাড়খণ্ডের ড্রেসিংরুমে মহেন্দ্র সিংহ ধোনি’কে পেয়েছেন সতীর্থ হিসাবে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে একসঙ্গে ম্যাচও খেলেছেন। ধোনি কী পরামর্শ দেন? ঈশান বলছেন, ‘‘ধোনি ভাই বলেন, চাপের মুখেও নিজের স্বাভাবিক ব্যাটিংটাই করা উচিত। ধোনি ভাইকে খেলতে দেখে বড় হয়েছি। ওঁর ক্রিকেট দর্শন মেনেই চলি।’’
প্রথমে বিজয় হাজারে ট্রফি এবং পরে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে ইডেনে খেলে গিয়েছেন কিছুদিন আগেই। সেই অভিজ্ঞতা কতটা সাহায্য করবে? ১৮ বছরের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ঈশান বললেন, ‘‘সাহায্য তো করবেই। ইডেনের নতুন উইকেটে বল পড়ে ভালভাবে ব্যাটে আসে। তাতে স্ট্রোক খেলতে সুবিধা হয়।’’

Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -