SEND FEEDBACK

English
Bengali

আইজলের চাপ শুরু, অন্ধকার মাঠে সনিদের অনুশীলন

নিজস্ব সংবাদদাতা | এপ্রিল ২১, ২০১৭
Share it on
শুক্রবার ম্যাচের আগের দিন সকাল এগারোটায় প্র্যাক্টিস করতে চেয়েছিলেন সঞ্জয়। কিন্তু তাতেও রাজি নয় আয়োজকরা। মোহনবাগানকে প্র্যাক্টিস দেওয়া হয়েছে দুপুর তিনটেতে। সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ সবুজ-মেরুন শিবির। এদিনও নর্দেদের হেনস্থা করে আইজলের সমর্থকরা।

সনি নর্দেরা আইজলে পা রাখতেই চাপ সৃষ্টি শুরু পাহাড়ি দলটির। কখনও প্র্যাক্টিসের সময় নিয়ে সমস্যা। কখনও বা আইজল সমর্থকদের অভব্য আচরণ— বৃহস্পতিবার পাহাড়ে পৌঁছে সমস্যায় জেরবার সঞ্জয় সেনের টিম।
এদিন সকালের বিমানে আইজল পৌঁছয় মোহনবাগান। বিকেলে তাদের প্র্যাক্টিস দেওয়া হয়েছিল পাঁচটা থেকে। কিন্তু আয়োজকদের ঠিক করে দেওয়া বাস সনিদের মাঠে নিয়ে পৌঁছয় পাঁচটা বেজে সতেরো মিনিটে। স্বভাবতই মোহনবাগান মাঠে নামতে নামতেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। মাঠে আলোরও ব্যবস্থা ছিল না। অন্ধকারের মধ্যেই কোনও রকমে প্র্যাক্টিস সেরে মাঠে ছাড়ে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। দলের সঙ্গে থাকা ক্লাবের সহসচিব প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘আইজলে তাড়াতাড়ি অন্ধকার হয়ে যায়। তা জেনেও মোহনবাগানকে কেন দেরিতে প্র্যাক্টিস দেওয়া হল? আমরা তো দুপুরের আগেই চলে এসেছিলাম।’’ বিরক্ত হলেও কোচ স়ঞ্জয় সেনও বলেছেন, ‘‘এই সবকে গুরুত্ব দিলে ফোকাস নষ্ট হয়ে যাবে। যখন প্র্যাক্টিস দেবে তখনই করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য এই ম্যাচটা জিতে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। শেষ ম্যাচের অপেক্ষায় থাকতে চাই না।’’
আজ, শুক্রবার ম্যাচের আগের দিন সকাল এগারোটায় প্র্যাক্টিস করতে চেয়েছিলেন সঞ্জয়। কিন্তু তাতেও রাজি নয় আয়োজকরা। মোহনবাগানকে প্র্যাক্টিস দেওয়া হয়েছে দুপুর তিনটেতে। সূচি নিয়ে ক্ষুব্ধ সবুজ-মেরুন শিবির। এদিনও নর্দেদের হেনস্থা করে আইজলের সমর্থকরা। মোহনবাগান প্র্যাক্টিসে আসার আগে থেকে বেশ কিছু সমর্থক মাঠে এসে বসেছিলেন। সনিরা মাঠে ঢোকার পরই তারা ড্রাম বাজিয়ে আইজলের হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। ফুটবলারদের গালাগাল করে বলেও অভিযোগ। কর্তারা মাঠে উপস্থিত ফেডারেশনের এক কর্মীকে বিষয়টি জানান। ম্যাচের আগের দিন প্র্যাক্টিসে এরকম কিছু ঘটলে সাধারণত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু দু’দিন আগের প্র্যাক্টিসে এ ধরণের কিছু ঘটলে সেখানে ফেডারেশন হস্তক্ষেপ করতে পারে না। উল্লেখ্য, এবারের লিগে ইস্টবেঙ্গলকেও একই রকম পরিস্থিতি সামলাতে হয়েছিল বেঙ্গালুরুতে। বেঙ্গালুরু এফসি’কে হারিয়ে ইস্টবেঙ্গল তার জবাবও দিয়েছিল। এদিন প্র্যাক্টিসের পর ড্যারেল ডাফি বলে দেন, ‘‘শিলিগুড়ির ডার্বিতেও তো আমরা বিপক্ষের কুড়ি হাজার সমর্থকের সামনে ম্যাচ খেলেছি। এখানে তো আট হাজার সমর্থক থাকবে। আমরা তাই মাথাই ঘামচ্ছি না।’’ 
এদিকে টিকিট নিয়েও আয়োজকরা সমস্যা তৈরি করেছে বলে অভিযোগ। মোহনবাগান পাঁচশো টিকিট চেয়েছিল। আইজলের পক্ষ থেকে দু’শো টিকিট দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে আইজল-মোহনবাগান যুদ্ধের আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে থেকে মাঠের বাইরের লড়াইয়ের জেরে পাহাড়ের তাপমাত্রা এখন ঊর্ধ্বমুখী।

Mohun Bagan Aizawl
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -