SEND FEEDBACK

English
Bengali

অর্থ বিভাগে ঠিকাদার নিষিদ্ধ, অভিযোগ জানাতে চালু খাতা

নিজস্ব সংবাদদাতা | এপ্রিল ২১, ২০১৭
Share it on
পুরভবনে অর্থ বিভাগের দফতরের বাইরের দরজায় টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে পোস্টার। তাতে লেখা, ‘ঠিকাদারের প্রবেশ নিষিদ্ধ’! এতে মুখে হাসি ফুটেছে অর্থ বিভাগের কর্মীদের।

কাজের বকেয়া নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে অর্থ বিভাগের কর্মীদের ঠোকাঠুকি লেগেই রয়েছে। নিত্য অশান্তি। নালিশ-পাল্টা নালিশ। শেষমেশ অভিনব উপায় বার করে দু’পক্ষেরই মন রাখার চেষ্টা করলেন বিধাননগর পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। 
পুরভবনে অর্থ বিভাগের দফতরের বাইরের দরজায় টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে পোস্টার। তাতে লেখা, ‘ঠিকাদারের প্রবেশ নিষিদ্ধ’! এতে মুখে হাসি ফুটেছে অর্থ বিভাগের কর্মীদের। আবার ঠিকাদারদের ‘অসন্তোষ’কে মর্যাদা দিতে নিজের দফতরের বাইরে অভিযোগ জানানোর খাতা রেখেছেন অর্থ আধিকারিক অভিজিৎ ঘোষ। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘‘ঠিকাদারেরা বারবার কর্মীদের টেবিলে গেলে তাঁরা বিরক্ত হন। আবার কর্মীদের বিরুদ্ধেও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ হয়। সেজন্য পোস্টার দিয়েছি এবং ঘরের বাইরে একটা রেজিস্ট্রার চালু করেছি। ঠিকাদারেরা টেবিলে যত কম যান তত ভাল। তাতে দু’পক্ষেরই মঙ্গল।’’ 
পুরনিগম সূত্রের খবর, সম্প্রতি অর্থ বিভাগের এক কর্মীর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে ডেপুটি মেয়র তাপস চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নালিশ করেন রাজারহাট-গোপালপুরের ঠিকাদারদের একাংশ। উল্টোদিকে ঠিকাদারেরা যদি প্রতিনিয়ত ‘বিরক্ত’ করেন তাহলে কাজ কীভাবে হবে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের মত জানতে চান অর্থ বিভাগের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতেই নতুন ব্যবস্থা।
প্রসঙ্গত, অভিযোগের খাতায় ঠিকাদার সংস্থার নাম, কোন কাজ, বকেয়া কত, এমবি নম্বর, কাজ শেষের সময় এবং মন্তব্য করতে বলা হয়েছে। দিনের শেষে অর্থ আধিকারিক তাতে মতামত দেন। এক পুরকর্মী বলেন, ‘‘অনেক ঠিকাদার কবে কাজ শেষ করেছেন তা লিখছেন না। কত টাকা এখনও পর্যন্ত পেয়েছেন, তারও উল্লেখ করছেন না।’’
অভিযোগের খাতা চালুর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ঠিকাদারদের একাংশ। তবে কর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি প্রসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, ‘‘বহু টাকা বাকি রয়েছে। এই অবস্থায় কাজ করব কীভাবে। অনেক ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।’’ যার প্রেক্ষিতে অর্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘প্রতিদিনই টাকা মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২০১৪ সালের আগে রাজারহাট-গোপালপুর অঞ্চলে প্রচুর বকেয়া রয়েছে। সেটা আমাদের দেখে দিতে হচ্ছে। বহুক্ষেত্রে কাগজপত্র ঠিক থাকে না। এখনকার বকেয়া নিয়ে কোনও 
সমস্যা নেই।’’ 

Contractors finance department
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -