SEND FEEDBACK

English
Bengali
English
Bengali

অন্ধকারে নেহরু-হো চি মিন! তবে পাশেই আলোয় ভাসছে ২১ জুলাইয়ের স্মৃতিসৌধ

নিজস্ব সংবাদদাতা | মার্চ ২১, ২০১৭
Share it on
রাতভর অন্ধকারে ঢাকা থাকে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি। ভিয়েতনামের প্রয়াত কমিউনিস্ট নেতা হো চি মিনের মূর্তিও থাকে তেমনই। অথচ পাশেই ২১ জুলাইয়ের শহিদ স্তম্ভ বা ভাষা শহিদদের স্মরণ বেদি উপচে পড়ে আলোয়!

রাতভর অন্ধকারে ঢাকা থাকে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি। ভিয়েতনামের প্রয়াত কমিউনিস্ট নেতা হো চি মিনের মূর্তিও থাকে তেমনই। অথচ পাশেই ২১ জুলাইয়ের শহিদ স্তম্ভ বা ভাষা শহিদদের স্মরণ বেদি উপচে পড়ে আলোয়!
বিরোধীদের অভিযোগ, হো চি মিন বা নেহরুর রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি রাজ্য এবং কলকাতা পুরসভায় ক্ষমতাসীন তৃণমূলের ‘বিদ্বেষ’ই এই বৈপরীত্যের কারণ। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন পুরসভার মেয়র পারিষদ (উদ্যান) দেবাশিস কুমার। পার্ক স্ট্রিট মোড়ের কাছে এশিয়াটিক সোসাইটির উল্টো দিকের ফুটপাথ সংলগ্ন জমিতে জওহরলালের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ১৯৮৯ সালে তাঁর পূর্ণাবয়ব মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করে তৎকালীন বাম সরকার। অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরেই মূর্তির পিছনের বাতিস্তম্ভের আলো জ্বলে না। মূর্তির পাশে ছড়িয়ে থাকে আবর্জনা! সন্ধ্যের পর ওই মূর্তির অস্তিত্বই কার্যত চোখে পড়ে না!
দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মতোই ‘অন্ধকারে’ থাকেন সমাজতান্ত্রিক ভিয়েতনামের প্রথম প্রেসিডেন্ট হো চি মিনও! বাম আমলে মার্কিন দূতাবাসের কাছাকাছি ওই আবক্ষ মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছিল। সম্প্রতি ওই মূর্তি সংলগ্ন উদ্যানেই ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের তৎকালীন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযানে পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেটির পাশেই রয়েছে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় ভাষা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে নির্মিত সৌধ। হো চি মিন মূর্তি অন্ধকারে থাকলেও এই দু’টি সৌধ সারারাত উজ্জ্বল আলোয় ভাসে। ঢিলছোড়া দূরত্বে অবস্থিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীর পূর্ণাবয়ব মূর্তিও থাকে আলোকোজ্জ্বল।
কলকাতা পুরসভার ১১১ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর চয়ন ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কমিউনিস্ট বিদ্বেষী। তবে হো চি মিন শুধু কমিউনিস্ট ছিলেন না। তিনি গোটা পৃথিবীর সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রেরণা!’’ তাঁর কথায়, ‘‘শুধু কমিউনিস্ট নেতাদেরই নয়, পন্ডিত নেহরুকেও অপমান করছে তৃণমূল।’’ ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর প্রকাশ উপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই ঘটনা রাজ্যের লজ্জা।’’
দেবাশিসের সাফাই, ‘‘এই বিষয়টি রাজ্য সরকারের পিডব্লিউডি দফতর দেখে। বিষয়টি জানলাম। দ্রুত ব্যবস্থা নেব। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’

Jawaharlal Nehru Memorial
Share it on
Community guidelines
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -