SEND FEEDBACK

English
Bengali

নোট-ধাক্কা মোকাবিলায় মোদীর শহরকে টেক্কা দিদির কলকাতার

নিজস্ব সংবাদদাতা | এপ্রিল ১৯, ২০১৭
Share it on
নোট বাতিলের ধাক্কা সামলে উঠেছে কলকাতা। কিন্তু আমদাবাদ তা পারেনি। কলকাতা ব্যতিক্রম কেন?

দিদিভাইয়ের কলকাতা পিছনে ফেলে দিল মোদীভাইয়ের আমদাবাদকে!
দেশের আটটি প্রধান শহরের ‘ক্রয় প্রবণতা সূচক’ বা ‘বাইং প্রপেনসিটি ইনডেক্স’ (বিপিআই) নির্ণয়ের জন্য সমীক্ষা চালিয়েছিল টিআরএ রিসার্চ নামে একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষায় ইঙ্গিত, নোট বাতিলের ধাক্কা সামলে উঠেছে কলকাতা। কিন্তু আমদাবাদ তা পারেনি।
২০১৬ সালের শেষ তিন মাসের সমীক্ষার (নোটবন্দি পরবর্তী সময়) ফল বলছে, শুধু কলকাতার ‘ক্রয় প্রবণতা সূচক’ বেড়েছে। বাকি সাত শহরের (দিল্লি, মুম্বই পুনে, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ এবং আমদাবাদ) প্রতিটির ‘ক্রয় প্রবণতা সূচক’ কমেছে। আটটি শহরের মধ্যে ‘ক্রয় প্রবণতা সূচক’ সবচেয়ে কম দিল্লির (০.২৭)। আমদাবাদের ক্ষেত্রে ওই সূচক অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়কালের (০.৫৬) থেকে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (০.৩০) প্রায় অর্ধেক কমেছে।
কলকাতা ব্যতিক্রম কেন?
সমীক্ষা সংস্থার সিইও এন চন্দ্রমৌলির ব্যাখ্যা, ‘‘কলকাতার মানুষের ক্রয় প্রবণতার উপর নোট বাতিলের প্রভাব খুব কম ছিল। কারণ, কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল। এর সঙ্গে ক্রয় প্রবণতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। শুধু শিল্প দিয়ে বিচার হয় না।’’ তিনি জানিয়েছেন, কলকাতার থেকে শিল্পে উন্নত বলে আমদাবাদের ক্রয় প্রবণতা বেশি হবে, এমনটা না-ও হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তনের পর আমদাবাদে একটা ডামাডোল চলছে। এটাও ক্রয় প্রবণতা কমার অন্যতম কারণ।
অর্থনীতিবিদ তথা রাজ্য অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান অভিরূপ সরকারের যুক্তি, ‘‘কলকাতার মানুষ বিলাস সামগ্রীর তুলনায় খাদ্য সামগ্রীতে বেশি খরচ করেন। তাতে বেশি টাকা লাগে না। কালো টাকার ব্যবহারও হয় না। তাই এখানের ক্রয় সূচক কমেনি।’’ তাঁর মতে, দামি বিলাসদ্রব্য কিনতে কালো টাকার লেনদেন বেশি হয়। নোট বাতিলের পর অন্য শহরগুলিতে বিলাস দ্রব্য কেনার প্রবণতা কমেছিল। তাই ‘ক্রয় প্রবণতা সূচক’ও কমে।
গত ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিল ঘোষণা করেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সরব ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমীক্ষায় বলছে, নোট-ধাক্কা সামলানোর দক্ষতায় মোদীর শহরের তুলনায় এগিয়ে দিদির শহর!  

Mamata Banerjee Narendra Modi Demonetization
Share it on
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -