SEND FEEDBACK

English
Bengali
English
Bengali

রেস্তোরাঁয় হানা দিল এবার এনফোর্সমেন্ট, গ্রেফতার হলেন মালিকের আত্মীয়

নিজস্ব প্রতিবেদন | মে ২০, ২০১৭
Share it on
এদিন সকালে পুরসভায় ডিএসপি অলক ঘোষের নেতৃত্ব হাজির হয় এনফোর্সমেন্ট বিভাগের একটি দল। সঙ্গে ছিলেন ফুড ইনস্পেক্টর তরুণ চৌধুরী।

ঝাঁ চকচকে রেস্তোরাঁর অন্দরমহলে ঢুকেই হতবাক এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (ইবি), ফুড ইনস্পেক্টর এবং দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রতিনিধিরা। যার জেরে ভেজাল খাবার সরবরাহ এবং বেআইনিভাবে রান্নার গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগে শুক্রবার রেস্তোরাঁর মালিকের এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিন সকালে পুরসভায় ডিএসপি অলক ঘোষের নেতৃত্ব হাজির হয় এনফোর্সমেন্ট বিভাগের একটি দল। সঙ্গে ছিলেন ফুড ইনস্পেক্টর তরুণ চৌধুরী। তাঁদের নিয়ে মতিঝিল রোডের ওই রেস্তোরাঁয় পৌঁছন জনস্বাস্থ্য বিভাগের পুরপ্রধান পারিষদ দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বাস্থ্য বিভাগের পুরপ্রধান পারিষদ গোপা পাণ্ডে। দমদম থানার পুলিশ এবং পুরসভার প্রতিনিধিরাও ছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই রেস্তোরাঁয় হানা বলে ইবি সূত্রের খবর।

ফুড লাইসেন্স নেই। রান্নাঘরে অগ্নিসুরক্ষা বিধিও মানা হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রাহকদের রেখে যাওয়া খাবার সযত্নে তুলে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আরশোলার দেখা পেতে খুব একটা কষ্ট করতে হবে না। সেসব দেখে ফুড ইন্সপেক্টরের প্রতিক্রিয়া, ‘‘এখানে খাবার অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আরশোলা ঘোরাফেরা করছে। অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে।’’ একতলায় স্টোররুমে মুদিখানার সামগ্রীর পাশাপাশি মজুত ছিল গ্যাসের সিলিন্ডারও। 

এরপর রেস্তোরাঁর মালিক এবং ম্যানেজারকে ডেকে পাঠানোর নির্দেশ দেন ডিএসপি। কর্মীরা জানান, মালিক সুইডেনে। ম্যানেজার ছুটিতে রয়েছেন। এই শুনে ইবি কড়া হতেই মালিক বরুণ চৌধুরীর শ্যালক প্রদীপ রায় হাজির হন। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জিটিআরের উল্টোদিকে একটি নামী বিরিয়ানি ও রোলের দোকান এবং আরেকটি রেস্তোরাঁয় এদিন অভিযান চালানো হয়। তবে সেগুলিকে শুধুমাত্র সতর্ক করা হয়েছে।

Restaurant Inspection EB
Share it on
Community guidelines
আরও যা আছে
আরও খবর
ওয়েবসাইটে আরও যা আছে
আরও খবর
আমাদের অন্যান্য প্রকাশনাগুলি -